সর্বশেষ
Loading breaking news...

আইটি রপ্তানিতে জোয়ার: ৫ বিলিয়ন ডলার ফ্রিল্যান্সিং আয়ের লক্ষ্যমাত্রা

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার
আইটি খাতের অভাবনীয় সাফল্যে ডিজিটাল বিপ্লবের দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ। ২০২৬ সাল নাগাদ আইটি এবং ফ্রিল্যান্সিং সেবা থেকে ৫ বিলিয়ন ডলার উপার্জনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী এবং ইন্টারনেট সেবার প্রসারের ফলে এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র।

অর্থনীতির নতুন মেরুদণ্ড ফ্রিল্যান্সিংবর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে ৬ লাখ সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন যারা গ্রাফিক ডিজাইন ও সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের মতো সেবা বিশ্ববাজারে পৌঁছে দিচ্ছেন। বিশেষ করে গ্রামীণ জনপদে এই আয়ের ইতিবাচক প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
"ডিজিটাল মেধার বিশ্ববাজার অনেক বড়, আর বাংলাদেশ সেখানে নেতৃত্ব দিচ্ছে,"
একজন বিশেষজ্ঞ জানান। ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্কের প্রসার ফ্রিল্যান্সিংকে আরও সহজ করে তুলেছে।


সরকারি প্রণোদনা ও দক্ষতা বৃদ্ধিআইটি রপ্তানি উৎসাহিত করতে সরকার ১০ শতাংশ নগদ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে। এছাড়াও সফটওয়্যার কোম্পানিগুলোর জন্য ২০২৮ সাল পর্যন্ত কর ছাড় দেওয়া হয়েছে। 'লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং' প্রকল্পের মাধ্যমে হাজার হাজার তরুণকে এআই এবং সাইবার সিকিউরিটির মতো উন্নত প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তোলা হচ্ছে। ফলে এখন শুধু ডাটা এন্ট্রি নয়, বরং জটিল টেক সল্যুশনও বাংলাদেশ থেকে সরবরাহ করা হচ্ছে।

চ্যালেঞ্জ ও উত্তরণের পথসাফল্যের পাশাপাশি পেমেন্ট গেটওয়ে বা পেপ্যালের সীমাবদ্ধতা এখনও একটি বড় চ্যালেঞ্জ। আন্তর্জাতিক পেমেন্ট সিস্টেমগুলোর পূর্ণাঙ্গ সংযোগ নিশ্চিত করা গেলে আয়ের অংক আরও বাড়বে। এছাড়া বিশ্ববাজারের সাথে তাল মেলাতে ভাষাগত দক্ষতা ও আধুনিক পাঠ্যক্রমের ওপর জোর দিতে হবে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে আইটি খাতই হবে বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি।

আরও পড়ুন