সর্বশেষ
Loading breaking news...

‘কথা কম শুনতেন বেশি’—বেগম জিয়ার স্মরণে আবেগাপ্লুত ব্যবসায়ী সমাজ

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

বাংলাদেশের অর্থনীতির ভিত্তি মজবুতকরণ ও বেসরকারি খাতকে শক্তিশালী করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার সাহসী ভূমিকা আজও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে ব্যবসায়ী সমাজ। ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্স (আইসিসি) বাংলাদেশসহ ১৮টি বাণিজ্য সংগঠনের আয়োজিত এক দোয়া ও স্মৃতিচারণা অনুষ্ঠানে দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পপতিরা তার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক দূরদর্শিতার ওপর আলোকপাত করেন।

নব্বইয়ের বিপ্লবী অর্থনৈতিক সংস্কার

বক্তারা বলেন, নব্বইয়ের দশকে বেগম জিয়ার নেওয়া নীতিগুলোই আজকের বাংলাদেশের শক্তিশালী অর্থনীতির মূল কারিগর। আইসিসি বাংলাদেশের সভাপতি মাহবুবুর রহমান উল্লেখ করেন, সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তার নেতৃত্ব ছিল অবিস্মরণীয়। ওষুধ শিল্প সমিতির সভাপতি আবদুল মুক্তাদির অকপটে স্বীকার করেন যে, ১৯৯৪ সালে বেগম জিয়ার নেওয়া সাহসী সিদ্ধান্তের কারণেই আজ দেশের ওষুধ শিল্প বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে।

বিরল গুণ: কথা কম বলা ও শোনা

ব্যাংক মালিকদের সংগঠন বিএবির সভাপতি আবদুল হাই সরকার তার ব্যক্তিগত আচরণের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন, "ম্যাডাম কথা বলতেন খুব কম, কিন্তু ব্যবসায়ীদের কথা শুনতেন অনেক বেশি।" এটি একজন শাসকের জন্য একটি অত্যন্ত বিরল গুণ। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বছরের পর বছর অন্যায়ভাবে কারাবন্দী থাকার পরও তিনি কখনো কারও বিরুদ্ধে প্রতিশোধের ডাক দেননি, বরং সর্বদা সবকিছুর বিচার আল্লাহর ওপর ছেড়ে দিয়েছেন।

দেশপ্রেম ও আগামীর অঙ্গীকার

অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আক্ষেপ করে বলেন, যেই মামলায় তাকে সাজা দেওয়া হয়েছিল তার কোনো ভিত্তি ছিল না। তবুও তিনি দেশ ছেড়ে যাননি। এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি এ কে আজাদসহ দেশের প্রথিতযশা ব্যবসায়ীরা বেগম জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার দেখানো পথে ঐক্যবদ্ধভাবে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। এই শোকসভায় উঠে আসে একজন মহান নেত্রীর প্রতি দেশের আপামর জনসাধারণের অগাধ ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি।

আরও পড়ুন