ভোটের মাঠে স্বস্তির বাতাস: নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে বড় বার্তা দিলেন সিইসি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দামামা বেজে উঠেছে। আর এই মাহেন্দ্রক্ষণে ভোটের পরিবেশ নিয়ে আশার বাণী শোনালেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে স্থাপিত আপিল বুথগুলো পরিদর্শনের সময় তিনি মন্তব্য করেন, নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত অত্যন্ত সন্তোষজনক।
সহযোগিতার মন্ত্রে সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকারসিইসি নাসির উদ্দিন দৃঢ় কণ্ঠে জানান, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা থাকলে আসন্ন নির্বাচনটি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উৎসব হিসেবে উপহার দেওয়া সম্ভব। নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কমিশন যে বদ্ধপরিকর, তা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য নির্বাচন ভবনে স্থাপন করা হয়েছে ১০টি সুশৃঙ্খল বুথ।
আপিলের মহাযজ্ঞ: ১০টি বুথে ১০ অঞ্চলের ভাগ্যপরীক্ষানির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচন ও গণভোট। তার আগেই চলছে শেষ মুহূর্তের যাচাই-বাছাই। রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার জন্য অঞ্চলভিত্তিক বুথ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। যেমন—১নং বুথে খুলনা, ২নং বুথে রাজশাহী, ৩নং বুথে রংপুর এবং ৭নং বুথে ঢাকা অঞ্চলের জেলাগুলোর অভিযোগ শোনা হবে। একইভাবে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের জন্য আলাদা আলাদা বুথ নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের দাবি পেশ করতে পারেন।
আইনি লড়াইয়ের সাতকাহন ও সময়সীমাআপিল দায়েরের প্রক্রিয়াটিও বেশ কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক। সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিদের নির্ধারিত ফরম্যাটে আবেদন করতে হবে, যার সাথে জমা দিতে হবে মোট ৭টি কপি (১টি মূল ও ৬টি অনুলিপি)। ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানিয়েছেন, আপিল শুনানি শেষে আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে সকল অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হবে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে কমিশন এটি নিশ্চিত করেছে যে, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা নির্ধারিত হবে।
সহযোগিতার মন্ত্রে সুষ্ঠু নির্বাচনের অঙ্গীকারসিইসি নাসির উদ্দিন দৃঢ় কণ্ঠে জানান, সকলের আন্তরিক সহযোগিতা থাকলে আসন্ন নির্বাচনটি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক উৎসব হিসেবে উপহার দেওয়া সম্ভব। নির্বাচনের স্বচ্ছতা নিশ্চিতে কমিশন যে বদ্ধপরিকর, তা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখেই মনোনয়নপত্র গ্রহণ ও বাতিলের বিরুদ্ধে আপিল দায়েরের জন্য নির্বাচন ভবনে স্থাপন করা হয়েছে ১০টি সুশৃঙ্খল বুথ।
আপিলের মহাযজ্ঞ: ১০টি বুথে ১০ অঞ্চলের ভাগ্যপরীক্ষানির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে বহুল প্রতীক্ষিত এই নির্বাচন ও গণভোট। তার আগেই চলছে শেষ মুহূর্তের যাচাই-বাছাই। রিটার্নিং অফিসারের সিদ্ধান্তে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তিরা ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি বিকেল ৫টা পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন। এই প্রক্রিয়ার জন্য অঞ্চলভিত্তিক বুথ ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। যেমন—১নং বুথে খুলনা, ২নং বুথে রাজশাহী, ৩নং বুথে রংপুর এবং ৭নং বুথে ঢাকা অঞ্চলের জেলাগুলোর অভিযোগ শোনা হবে। একইভাবে চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও ফরিদপুর অঞ্চলের জন্য আলাদা আলাদা বুথ নির্ধারণ করা হয়েছে, যাতে প্রার্থীরা নির্বিঘ্নে তাদের দাবি পেশ করতে পারেন।
আইনি লড়াইয়ের সাতকাহন ও সময়সীমাআপিল দায়েরের প্রক্রিয়াটিও বেশ কঠোর ও নিয়মতান্ত্রিক। সংক্ষুব্ধ প্রার্থী বা তাঁদের প্রতিনিধিদের নির্ধারিত ফরম্যাটে আবেদন করতে হবে, যার সাথে জমা দিতে হবে মোট ৭টি কপি (১টি মূল ও ৬টি অনুলিপি)। ইসির জনসংযোগ পরিচালক মো. রুহুল আমিন মল্লিক জানিয়েছেন, আপিল শুনানি শেষে আগামী ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে সকল অভিযোগ নিষ্পত্তি করা হবে। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে কমিশন এটি নিশ্চিত করেছে যে, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই চূড়ান্ত প্রার্থীর তালিকা নির্ধারিত হবে।