সর্বশেষ
Loading breaking news...

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ: টাঙ্গাইল ও নাগরপুর যুবদলের ৪ শীর্ষ নেতাকে শোকজ

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বড়সড় ধাক্কা খেল টাঙ্গাইল জেলা ও নাগরপুর উপজেলা যুবদলের শীর্ষ নেতৃত্ব। সংগঠনবিরোধী কার্যকলাপের দায়ে চারজন প্রভাবশালী নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বা শোকজ করেছে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি। শুক্রবার রাতে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনীতিতে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযুক্ত নেতারা দলের গঠনতন্ত্র অমান্য করে নিজস্ব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

মধ্যরাতে কঠোর বার্তা

শুক্রবার রাতে যুবদলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে সহদপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত এক জরুরি চিঠিতে এই নোটিশ জারি করা হয়। অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর—কেন্দ্রীয় নির্দেশনার তোয়াক্কা না করে এই নেতারা বিধিবহির্ভূতভাবে নিজস্ব সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন। সংগঠনের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলার পরিপন্থী এমন কর্মকাণ্ড কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নজরে আসার পরই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

যাদের বিরুদ্ধে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তারা দলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিলেন। শোকজপ্রাপ্তরা হলেন—টাঙ্গাইল জেলা যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার রাশেদুল আলম রাশেদ ও ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব জাহিদ হোসেন মালা। এছাড়া নাগরপুর উপজেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নাজমুল হক স্বাধীন এবং ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব মো. নজরুল ইসলামকেও একই অভিযোগে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা

নোটিশে অভিযুক্তদের জন্য সময়সীমাও অত্যন্ত কড়াকড়িভাবে বেঁধে দেওয়া হয়েছে। আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সশরীরে উপস্থিত হয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। কেন তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না—এই প্রশ্নের উত্তর যুবদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপির কাছে দাখিল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এই জবাব সন্তোষজনক না হলে তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কেন্দ্রের এই অনড় অবস্থান প্রমাণ করে যে, দলের চেইন অব কমান্ড বা শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রশ্নে কোনো ছাড় দিতে নারাজ হাইকমান্ড। টাঙ্গাইলের রাজনীতিতে এই শোকজ নোটিশের প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে বলে মনে করছেন স্থানীয় কর্মীরা।

আরও পড়ুন