শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক শাহরিয়ার তানজিলকে আজীবন বহিষ্কার
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ছাত্র রাজনীতিতে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সংগঠনটির এক প্রভাবশালী নেতাকে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদলের এই কঠোর পদক্ষেপে বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে বর্তমানে আলোচনার ঝড় বইছে। এটি সংগঠনের মধ্যে একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠিয়েছে যে, শৃঙ্খলা ভঙ্গের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার আপস করা হবে না।
ঢাবি ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষেই নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের তার সাথে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ বা সম্পর্ক না রাখার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে কবি জসীমউদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ককেও শোকজ করা হয়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট যে সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় বর্তমান নেতৃত্ব কোনো প্রকার আপস করতে নারাজ এবং একটি শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল ছাত্র সংগঠন গড়ে তোলার প্রতি বদ্ধপরিকর।
কঠোর সিদ্ধান্তের নেপথ্যে যে কারণ
বহিষ্কৃত ছাত্রনেতা শাহরিয়ার তানজিল স্যার এএফ রহমান হল শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। দলীয় সূত্রমতে, তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অত্যন্ত গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অভ্যন্তরীণ তদন্ত শেষে অভিযোগগুলো সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাকে সংগঠন থেকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব।ঢাবি ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মল্লিক ওয়াসি উদ্দিন তামী স্বাক্ষরিত এক আদেশে এই বহিষ্কারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়। এই সিদ্ধান্ত ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন সাপেক্ষেই নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
শীর্ষ নেতৃত্বের অনমনীয় বার্তা ও সাংগঠনিক শুদ্ধি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা অনুমোদন করেছেন। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, শাহরিয়ার তানজিলকে তার সকল সাংগঠনিক পদ ও প্রাথমিক সদস্যপদ থেকে স্থায়ীভাবে আজীবনের জন্য বহিষ্কার করা হলো।একইসঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল স্তরের নেতাকর্মীদের তার সাথে কোনো ধরনের সাংগঠনিক যোগাযোগ বা সম্পর্ক না রাখার কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে কবি জসীমউদ্দীন হল ছাত্রদলের আহ্বায়ককেও শোকজ করা হয়েছিল, যা থেকে স্পষ্ট যে সংগঠনের ভাবমূর্তি রক্ষায় বর্তমান নেতৃত্ব কোনো প্রকার আপস করতে নারাজ এবং একটি শক্তিশালী ও সুশৃঙ্খল ছাত্র সংগঠন গড়ে তোলার প্রতি বদ্ধপরিকর।