সর্বশেষ
Loading breaking news...

ফুটবলে বাংলাদেশের জাগরণ: ফিফার পোস্টে ‘দক্ষিণ এশিয়ার পরাশক্তি’ হওয়ার ইঙ্গিত

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

বাংলাদেশের ফুটবলে এখন পরিবর্তনের এক বসন্তকালীন হাওয়া বইছে। গত এক বছরে লাল-সবুজের প্রতিনিধিদের পারফরম্যান্স গ্রাফ যেভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তা রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবল অঙ্গনে এক সময়ের পিছিয়ে পড়া দলটি এখন প্রতিপক্ষদের মনে সমীহ জাগাতে শুরু করেছে। বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার নজরও এড়াতে পারেনি বাংলার বাঘেদের এই অভাবনীয় উন্নতি।

প্রবাসী ফুটবলারদের জাদুকরী ছোঁয়া ও কাবরেরার নতুন রণকৌশল

দেশের ফুটবলের এই অভাবনীয় উত্থানের নেপথ্যে কাজ করেছে একঝাঁক প্রতিভাবান প্রবাসী ফুটবলারের অন্তর্ভুক্তি। হামজা চৌধুরী, সোমিত সোম, ফাহমিদুল ইসলাম ও জায়ান আহমেদদের মতো ফুটবলাররা জাতীয় দলে যোগ দেওয়ায় পুরো দলের আত্মবিশ্বাসের চিত্রই পাল্টে গেছে। যদিও এএফসি এশিয়ান কাপের মূল পর্বে সরাসরি জায়গা করে নেওয়া সম্ভব হয়নি, তবুও কোচ হাভিয়ের কাবরেরার অধীনে দলের মাঠের লড়াই সাধারণ ভক্তদের হৃদয় জয় করে নিয়েছে।

বদলে যাওয়া এই বাংলাদেশ দলকে নিয়ে এখন সাধারণ ফুটবলপ্রেমীদের প্রত্যাশা আকাশচুম্বী। তবে এই উন্মাদনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে ফিফার একটি সাম্প্রতিক ফেসবুক পোস্ট। যেখানে বাংলাদেশ দলের ছবি দিয়ে ক্যাপশনে সরাসরি প্রশ্ন ছুড়ে দেওয়া হয়েছে— ‘দক্ষিণ এশিয়ার নতুন পরাশক্তি?’ লাল-সবুজের পতাকার ইমোজি সংবলিত এই পোস্টটি ঘিরে এখন ফুটবল পাড়ায় চলছে চুলচেরা বিশ্লেষণ।

অনেকে একে ফিফার সামাজিক মাধ্যমে প্রচার বাড়ানোর কৌশল হিসেবে দেখলেও, মাঠের খেলায় গত এক বছরের যে ব্যাপক উন্নতি হয়েছে, তা এখন অনস্বীকার্য বাস্তব। দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে বাংলাদেশ যে এক নতুন শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছে, ফিফার এই স্বীকৃতি তারই প্রমাণ বহন করে।

সামনের দিনগুলোতে এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে বাংলাদেশ সত্যিই দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলের পরাশক্তি হয়ে উঠবে, এমনটাই বিশ্বাস করেন ফুটবল বিশ্লেষক ও সমর্থকরা।

আরও পড়ুন