কুয়াশার চাদরে দিশেহারা নাবিক, মাঝনদীতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা আটকা যাত্রীবাহী লঞ্চ!
প্রকৃতির খেয়ালে আবারও বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে দক্ষিণাঞ্চলের নৌ-যোগাযোগ ব্যবস্থা। ঘন কুয়াশার দাপটে ঢাকা-কালাইয়া রুটসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিস্তীর্ণ নদীপথে লঞ্চ চলাচল কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। দৃষ্টিসীমা কমে আসায় দিক নির্ণয়ে ব্যর্থ হয়ে মাঝনদীতেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা নোঙর করে থাকতে বাধ্য হচ্ছে যাত্রীবাহী লঞ্চগুলো। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রী ও ব্যবসায়ীরা।
‘কুয়াশার ফাঁদে’ লন্ডভন্ড সময়সূচি
লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘন কুয়াশার কারণে রাজধানী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলো নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। ঢাকা-কালাইয়া রুটের ‘ঈগল-৫’ লঞ্চের কর্মীরা জানান, ভোর সাড়ে ৪টার পরিবর্তে বর্তমানে লঞ্চ সকাল ৯টার আগে ঘাটে ভিড়তে পারছে না। কোনো কোনো দিন দুপুর ১২টার আগে ঘাটে লঞ্চ ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। যাত্রী আইরিন সুলতানা জানান, মাঝরাতে নিরাপত্তার স্বার্থে লঞ্চ নদীর চরে নোঙর করে রাখা হয়, যা যাত্রীদের চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নাব্যতা সংকট ও কৃষি শঙ্কা
কালাইয়া-ঢাকা রুটের লঞ্চ সুপারভাইজাররা জানান, নদী ভরাটের কারণে নাব্যতা সংকট আগে থেকেই ছিল, এখন কুয়াশা সেই সংকটকে আরও বাড়িয়েছে। পদ্মা সেতু চালুর পর যাত্রী এমনিতেই কম, এখন শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে মালিকরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। এদিকে বাউফলের বিভিন্ন চরাঞ্চলের কৃষকরা তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে তরমুজ চাষিরা আশঙ্কা করছেন, রোদ না ওঠায় ফসল রোগাক্রান্ত হতে পারে, যা তাদের অর্থনীতির জন্য একটি বড় হুমকি।
‘কুয়াশার ফাঁদে’ লন্ডভন্ড সময়সূচি
লঞ্চ সংশ্লিষ্টরা জানান, ঘন কুয়াশার কারণে রাজধানী ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চগুলো নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারছে না। ঢাকা-কালাইয়া রুটের ‘ঈগল-৫’ লঞ্চের কর্মীরা জানান, ভোর সাড়ে ৪টার পরিবর্তে বর্তমানে লঞ্চ সকাল ৯টার আগে ঘাটে ভিড়তে পারছে না। কোনো কোনো দিন দুপুর ১২টার আগে ঘাটে লঞ্চ ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। যাত্রী আইরিন সুলতানা জানান, মাঝরাতে নিরাপত্তার স্বার্থে লঞ্চ নদীর চরে নোঙর করে রাখা হয়, যা যাত্রীদের চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নাব্যতা সংকট ও কৃষি শঙ্কা
কালাইয়া-ঢাকা রুটের লঞ্চ সুপারভাইজাররা জানান, নদী ভরাটের কারণে নাব্যতা সংকট আগে থেকেই ছিল, এখন কুয়াশা সেই সংকটকে আরও বাড়িয়েছে। পদ্মা সেতু চালুর পর যাত্রী এমনিতেই কম, এখন শিডিউল বিপর্যয়ের কারণে মালিকরা লোকসানের মুখে পড়ছেন। এদিকে বাউফলের বিভিন্ন চরাঞ্চলের কৃষকরা তীব্র শীতে বিপাকে পড়েছেন। বিশেষ করে তরমুজ চাষিরা আশঙ্কা করছেন, রোদ না ওঠায় ফসল রোগাক্রান্ত হতে পারে, যা তাদের অর্থনীতির জন্য একটি বড় হুমকি।