চাটমোহর হাসপাতালে ডিউটিরত নার্সকে কুপিয়ে জখম করলেন স্বামী
পাবনার চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীদের সেবা দিতে গিয়ে খোদ হাসপতালেই নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন এক নার্স। শুক্রবার সকালে হাসপাতালের ইনডোরে ডিউটিরত অবস্থায় স্বামীর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে রক্তাক্ত হন সুলতানা জাহান ডলি নামের ওই সিনিয়র স্টাফ নার্স। চিকিৎসাকেন্দ্রের মতো নিরাপদ স্থানে এমন লোমহর্ষক ঘটনা ঘটায় রোগী ও স্বজনদের মধ্যে মুহূর্তেই চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। আহত নার্সকে তাৎক্ষণিকভাবে একই হাসপাতালে জরুরি চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে এবং বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
কর্মস্থলেই বিভীষিকাময় সকালহাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সুলতানা জাহান ডলি বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নাইট ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটি শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে, সকাল পৌনে ৮টার দিকে তাঁর স্বামী আমিরুল ইসলাম হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে আমিরুল আচমকা তাঁর স্ত্রীর গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যান। সহকর্মীরা দ্রুত এগিয়ে এসে রক্তক্ষরণ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন এবং তাঁকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।
পারিবারিক কলহের জেরে রক্তপাতপ্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহ ও পারিবারিক অশান্তি। অভিযুক্ত স্বামী আমিরুল ইসলাম চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের মল্লিকবাইন এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে, অন্যদিকে ভুক্তভোগী ডলি আটঘরিয়া উপজেলার কুষ্টিয়া পাড়ার শাহজাহান আলীর মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই এই দম্পতির সাংসারিক জীবনে অস্থিরতা বিরাজ করছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই জনসমক্ষে কর্মস্থলে এসে স্ত্রী ডলির ওপর এমন বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চিকিৎসকের ভাষ্য ও বর্তমান অবস্থাআহত নার্সের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ওমর ফারুক বুলবুল। তিনি জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ডলির গলায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এবং সেখানে বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। মারাত্মক জখম ও মানসিক আঘাতের কারণে আহত নার্সের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এখনো জানা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখা হচ্ছে না এবং বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
পুলিশি তৎপরতা ও আইনি ব্যবস্থাখবর পেয়েই চাটমোহর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারওয়ার নিশ্চিত করেছেন যে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার কলহের জের বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া মাত্রই কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
কর্মস্থলেই বিভীষিকাময় সকালহাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, সুলতানা জাহান ডলি বৃহস্পতিবার রাত থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত নাইট ডিউটিতে ছিলেন। ডিউটি শেষ হওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে, সকাল পৌনে ৮টার দিকে তাঁর স্বামী আমিরুল ইসলাম হাসপাতাল চত্বরে উপস্থিত হন। একপর্যায়ে দুজনের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হলে আমিরুল আচমকা তাঁর স্ত্রীর গলায় ধারালো ছুরি দিয়ে আঘাত করে দ্রুত পালিয়ে যান। সহকর্মীরা দ্রুত এগিয়ে এসে রক্তক্ষরণ বন্ধ করার ব্যবস্থা করেন এবং তাঁকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করেন।
পারিবারিক কলহের জেরে রক্তপাতপ্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই হামলার নেপথ্যে রয়েছে দীর্ঘদিনের দাম্পত্য কলহ ও পারিবারিক অশান্তি। অভিযুক্ত স্বামী আমিরুল ইসলাম চাটমোহর উপজেলার পার্শ্বডাঙ্গা ইউনিয়নের মল্লিকবাইন এলাকার নুর মোহাম্মদের ছেলে, অন্যদিকে ভুক্তভোগী ডলি আটঘরিয়া উপজেলার কুষ্টিয়া পাড়ার শাহজাহান আলীর মেয়ে। দীর্ঘদিন ধরেই এই দম্পতির সাংসারিক জীবনে অস্থিরতা বিরাজ করছিল বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সেই পুঞ্জীভূত ক্ষোভ থেকেই জনসমক্ষে কর্মস্থলে এসে স্ত্রী ডলির ওপর এমন বর্বরোচিত হামলা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
চিকিৎসকের ভাষ্য ও বর্তমান অবস্থাআহত নার্সের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করছেন চাটমোহর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক ডা. ওমর ফারুক বুলবুল। তিনি জানান, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে ডলির গলায় গভীর ক্ষত সৃষ্টি হয়েছে এবং সেখানে বেশ কয়েকটি সেলাই দিতে হয়েছে। মারাত্মক জখম ও মানসিক আঘাতের কারণে আহত নার্সের কাছ থেকে ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এখনো জানা সম্ভব হয়নি। তবে তাঁর চিকিৎসার কোনো ত্রুটি রাখা হচ্ছে না এবং বিষয়টি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।
পুলিশি তৎপরতা ও আইনি ব্যবস্থাখবর পেয়েই চাটমোহর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং আলামত সংগ্রহের কাজ শুরু করেছে। থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারওয়ার নিশ্চিত করেছেন যে, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার কলহের জের বলেই প্রতীয়মান হচ্ছে। তিনি স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, পুলিশ অভিযুক্ত স্বামীকে আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে এবং ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পাওয়া মাত্রই কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানের ভেতরে এমন হামলার ঘটনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।