সর্বশেষ
Loading breaking news...

তেহরানে নিজ দপ্তরেই মৃত্যু খামেনির, নিশ্চিত করল ইরান; ট্রাম্পের দাবি যৌথ অভিযানের

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

দীর্ঘ জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে তেহরান নিশ্চিত করল ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর সঠিক সময় ও স্থান। দেশটির সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়েছে যে, শনিবার ভোরের দিকে তেহরানে নিজের দপ্তরে দায়িত্ব পালনরত অবস্থাতেই তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যমগুলোতে প্রচারিত বিভিন্ন গুজবের ওপর ইতি টানা হলো এবং ইরানে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে।

ট্রাম্পের বিস্ফোরক দাবি ও গোয়েন্দা নজরদারি

খামেনির মৃত্যুর খবরটি সর্বপ্রথম আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্বকে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক মাধ্যম 'ট্রুথ সোশ্যাল'-এ তিনি দাবি করেন, অত্যাধুনিক ট্র্যাকিং সিস্টেম এবং মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থার নজর এড়িয়ে খামেনি শেষ পর্যন্ত পালাতে পারেননি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সম্মিলিত অভিযানে তিনি ও তাঁর ঘনিষ্ঠ শীর্ষ নেতারা ধরা পড়েন। ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দেন যে, আইআরজিসি ও সেনাবাহিনীর অনেকেই এখন আমেরিকার কাছে দায়মুক্তি চাইছেন। তিনি বলেন, মাত্র একদিনের অভিযানেই ইরান রাষ্ট্রটি প্রায় ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।

বিবিসি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে যে, স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে তেহরানের খামেনির দপ্তরের কিছু অংশে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির চিহ্ন পাওয়া গেছে। তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানায়, খামেনির নিজ দপ্তরে মৃত্যু প্রমাণ করে যে শত্রুপক্ষের বিরুদ্ধে তার আত্মগোপনে থাকার খবরগুলো ছিল কেবলই মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধের অংশ।

নেতানিয়াহুর ইঙ্গিত

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও পরিস্থিতি নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি এক টেলিভিশন ভাষণে ইঙ্গিত দেন যে, ইরানের স্বৈরশাসকের যুগ শেষ হয়েছে। এই ঘোষণার সময়ে ইরানের পক্ষ থেকে কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে এখন আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেটাই দেখার বিষয়।

আরও পড়ুন