সর্বশেষ
Loading breaking news...

মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন ঘাঁটিতে ইরানের ভয়াবহ হামলা, সংঘাতের হুঁশিয়ারি

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত ২৭টি মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর যৌথ বোমাবর্ষণের কঠোর প্রতিশোধ হিসেবে তেহরান এই নজিরবিহীন হামলা চালিয়েছে। এই ঘটনায় পুরো মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে যুদ্ধের দামামা বেজে উঠেছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

ইসরায়েলের স্পর্শকাতর স্থাপনায় আঘাত

এই হামলায় কেবল মার্কিন ঘাঁটি নয়, ইসরায়েলের অত্যন্ত সুরক্ষিত এবং কৌশলগত স্থানগুলোকেও লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। আইআরজিসি'র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তালিকায় ছিল ইসরায়েলের তেল নোফ বিমানঘাঁটি এবং তেল আবিবে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর ‘হাকিরিয়া’। এছাড়া একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা শিল্প কমপ্লেক্সেও আঘাত হানার দাবি করেছে তারা।

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের এই সমন্বিত আক্রমণ ইরানের সামরিক সক্ষমতার এক নতুন বার্তা দিচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সরাসরি মার্কিন ও ইসরায়েলি কমান্ড সেন্টারে আঘাত হানা প্রমাণ করে যে ইরান এখন আর প্রক্সি যুদ্ধের ওপর নির্ভর করছে না, বরং সরাসরি সংঘাতে লিপ্ত হতে প্রস্তুত।

ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি

ইরান এই হামলাকে কেবল শুরু হিসেবে বর্ণনা করে ভবিষ্যতে আরও কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে। তেহরান স্পষ্ট জানিয়েছে, তাদের বাহিনী আরও ভিন্নধর্মী ও অপ্রচলিত সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এর ফলস্বরূপ শত্রুপক্ষকে শোচনীয় পরিস্থিতির শিকার হতে হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

এই পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে আন্তর্জাতিক মহল গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পাল্টাপাল্টি হামলার এই ধারা অব্যাহত থাকলে তা একটি সর্বাত্মক আঞ্চলিক যুদ্ধে রূপ নিতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে ইরান নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যেকোনো ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত বলে দ্ব্যর্থহীন ভাষায় জানিয়ে দিয়েছে।

আরও পড়ুন