জকসু নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে তুমুল উত্তেজনা: ভিপি পদে ছাত্রদল, জিএস-এজিএস দখলে শিবির!
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জকসু) এবং হল সংসদ নির্বাচন ঘিরে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার মধ্যেই আংশিক ফল ঘোষণা করা হলো। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সাজিদ ভবনের নিচের অডিটরিয়ামে কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশন ৩৯টি কেন্দ্রের মধ্যে প্রাথমিক ১৮টি কেন্দ্রের ফলাফল প্রকাশ করেছে। এই প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত ‘ঐক্যবদ্ধ নির্ভীক জবিয়ান’ প্যানেল সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে থাকলেও, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদে এগিয়ে রয়েছে শিবির সমর্থিত ‘অদম্য জবিয়ান’ প্যানেল।
অপেক্ষাকৃত কম ব্যবধানে এগিয়ে ভিপি প্রার্থী: ছাত্রদলের স্বস্তি না বিপর্যয়?প্রকাশিত ১৮টি কেন্দ্রের ফল অনুযায়ী, ভিপি পদের দৌড়ে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী একেএম রাকিব পেয়েছেন ২১৫৪ ভোট। অন্যদিকে, তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ২১২৯ ভোট। অর্থাৎ, ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী মাত্র ২৫ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এই ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, বাকি কেন্দ্রগুলোর ফল ঘোষণার উপরই শেষ পর্যন্ত ফলাফল নির্ভর করছে, যা উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে।
জিএস-এজিএস দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য: শিবির পেল বড় সাফল্যঅন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদ দুটির ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। জিএস পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল আলিম বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন, যিনি ১০৩০ ভোটের বিপরীতে ২৩৬৪ ভোট পেয়েছেন। একইভাবে, এজিএস পদেও শিবির সমর্থিত প্রার্থী মাসুদ রানা ২০৭৫ ভোট পেয়ে ছাত্রদলের প্রার্থী তানজিলকে (১৭৭৯ ভোট) পিছনে ফেলেছেন। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে শিবিরের সুস্পষ্ট অগ্রগতি সামগ্রিক ফলাফলের ভারসাম্যকে নতুন দিকে মোড় দিয়েছে।
ফল ঘোষণা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অঙ্গীকারবিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই প্রাথমিক ফল ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফল যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ করা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। ১৮ কেন্দ্রের প্রাথমিক এই ফলাফল জকসু নির্বাচনের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, চূড়ান্ত বিজয়ী জানতে শিক্ষার্থীদের আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও উদ্দীপনা১৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশের পর থেকেই ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণায় উত্তজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিজের পছন্দের প্রার্থীর জয়ের আশায় ভিড় করছেন কন্ট্রোল রুমের সামনে। অনেকে মনে করছেন, দীর্ঘকাল পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরাতে সহায়ক হবে।
বাকি কেন্দ্রের ফলাফলের দিকে নজরএখন সবার নজর বাকি ২১টি কেন্দ্রের দিকে। ভিপি পদে ২৫ ভোটের ব্যবধান যে কোনো সময় বদলে যেতে পারে। তাই জয়ের হাসি কার মুখে ফুটে তা দেখার জন্য মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে জবিয়ানদের।
অপেক্ষাকৃত কম ব্যবধানে এগিয়ে ভিপি প্রার্থী: ছাত্রদলের স্বস্তি না বিপর্যয়?প্রকাশিত ১৮টি কেন্দ্রের ফল অনুযায়ী, ভিপি পদের দৌড়ে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী একেএম রাকিব পেয়েছেন ২১৫৪ ভোট। অন্যদিকে, তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী শিবির সমর্থিত প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম পেয়েছেন ২১২৯ ভোট। অর্থাৎ, ভিপি পদে ছাত্রদল সমর্থিত প্রার্থী মাত্র ২৫ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। এই ফলাফল ইঙ্গিত দেয় যে, বাকি কেন্দ্রগুলোর ফল ঘোষণার উপরই শেষ পর্যন্ত ফলাফল নির্ভর করছে, যা উত্তেজনা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে।
জিএস-এজিএস দখলে একচ্ছত্র আধিপত্য: শিবির পেল বড় সাফল্যঅন্যদিকে, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) পদ দুটির ক্ষেত্রে চিত্রটি সম্পূর্ণ ভিন্ন। জিএস পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল আলিম বিপুল ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন, যিনি ১০৩০ ভোটের বিপরীতে ২৩৬৪ ভোট পেয়েছেন। একইভাবে, এজিএস পদেও শিবির সমর্থিত প্রার্থী মাসুদ রানা ২০৭৫ ভোট পেয়ে ছাত্রদলের প্রার্থী তানজিলকে (১৭৭৯ ভোট) পিছনে ফেলেছেন। এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে শিবিরের সুস্পষ্ট অগ্রগতি সামগ্রিক ফলাফলের ভারসাম্যকে নতুন দিকে মোড় দিয়েছে।
ফল ঘোষণা প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অঙ্গীকারবিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন কমিশনার ড. আনিসুর রহমান, অধ্যাপক ড. শহিদুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. জুলফিকার মাহমুদ অত্যন্ত পেশাদারিত্বের সঙ্গে এই প্রাথমিক ফল ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, অবশিষ্ট কেন্দ্রগুলোর ফল যত দ্রুত সম্ভব প্রকাশ করা হবে এবং পুরো প্রক্রিয়াটি সর্বোচ্চ স্বচ্ছতার সঙ্গে সম্পন্ন করা হবে। ১৮ কেন্দ্রের প্রাথমিক এই ফলাফল জকসু নির্বাচনের গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, চূড়ান্ত বিজয়ী জানতে শিক্ষার্থীদের আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে হবে।
শিক্ষার্থীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা ও উদ্দীপনা১৮ কেন্দ্রের ফল প্রকাশের পর থেকেই ক্যাম্পাসের প্রতিটি কোণায় উত্তজনা ছড়িয়ে পড়েছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা নিজের পছন্দের প্রার্থীর জয়ের আশায় ভিড় করছেন কন্ট্রোল রুমের সামনে। অনেকে মনে করছেন, দীর্ঘকাল পর অনুষ্ঠিত এই নির্বাচন বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফেরাতে সহায়ক হবে।
বাকি কেন্দ্রের ফলাফলের দিকে নজরএখন সবার নজর বাকি ২১টি কেন্দ্রের দিকে। ভিপি পদে ২৫ ভোটের ব্যবধান যে কোনো সময় বদলে যেতে পারে। তাই জয়ের হাসি কার মুখে ফুটে তা দেখার জন্য মধ্যরাত পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে জবিয়ানদের।