শ্রীপুরে ভাঙারি ব্যবসার আড়ালে অস্ত্র ভাড়া দেওয়ার কারবার ফাঁস করল যৌথবাহিনী
গাজীপুরের শ্রীপুরে এক চাঞ্চল্যকর অভিযানে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগজিনসহ আকাশ (২৮) নামের এক যুবককে আটক করেছে যৌথবাহিনী। শুক্রবার গভীর রাতে মাওনা বাজারের পিয়ার আলী কলেজ এলাকায় এই বিশেষ অভিযানটি পরিচালনা করা হয়। আটক যুবক দীর্ঘ দিন ধরে ভাঙারি ব্যবসার আড়ালে অপরাধ জগতে অস্ত্র ভাড়া দেওয়ার মতো ভয়ঙ্কর কারবারে জড়িত ছিলেন। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই সফল অভিযান পরিচালনা করে দুষ্কৃতিকারীদের পরিকল্পনা নস্যাৎ করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযানের নেপথ্য কাহিনী
পোড়াবাড়ি র্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিস জানান, তাঁদের কাছে গোপন সূত্রে এক বিশেষ খবর আসে। তথ্যানুযায়ী মাওনা বাজার এলাকায় একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতিকারী বড় ধরণের ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল। এই সংবাদের সত্যতা যাচাই করে যৌথবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। অভিযানের এক পর্যায়ে আকাশকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালানো হয়।
ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর অপরাধ
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, আকাশের মূল ব্যবসা ছিল অপরাধীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করা। সে সীমান্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন কৌশলে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করে শ্রীপুরের আশেপাশে ভাড়া দিত। স্থানীয়ভাবে সে একজন সাধারণ ভাঙারি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত থাকলেও তা ছিল অপরাধ লুকানোর একটি নিখুঁত আবরণ। এই ব্যবসায়িক পর্দার আড়ালেই সে তার ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছিল।
ড্রামের নিচে অস্ত্র
অভিযানের সময় আকাশ প্রথমে সবকিছু অস্বীকার করলেও তার দোকানের কোণায় রাখা একটি ড্রামের নিচ থেকে লোড করা পিস্তল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন এবং কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে যে, তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও একাধিক হত্যা ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। বর্তমানে সে আদালতের মাধ্যমে জামিনে থাকলেও পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে।
প্রশাসনিক কঠোর বার্তা
লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিস আরও জানান যে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। আটক আকাশকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
অভিযানের নেপথ্য কাহিনী
পোড়াবাড়ি র্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিস জানান, তাঁদের কাছে গোপন সূত্রে এক বিশেষ খবর আসে। তথ্যানুযায়ী মাওনা বাজার এলাকায় একদল সশস্ত্র দুষ্কৃতিকারী বড় ধরণের ডাকাতির পরিকল্পনা করছিল। এই সংবাদের সত্যতা যাচাই করে যৌথবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সাঁড়াশি অভিযান শুরু করে। অভিযানের এক পর্যায়ে আকাশকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করা হয় এবং তল্লাশি চালানো হয়।
ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর অপরাধ
প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে যে, আকাশের মূল ব্যবসা ছিল অপরাধীদের কাছে অস্ত্র সরবরাহ করা। সে সীমান্ত এলাকা থেকে বিভিন্ন কৌশলে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সংগ্রহ করে শ্রীপুরের আশেপাশে ভাড়া দিত। স্থানীয়ভাবে সে একজন সাধারণ ভাঙারি ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত থাকলেও তা ছিল অপরাধ লুকানোর একটি নিখুঁত আবরণ। এই ব্যবসায়িক পর্দার আড়ালেই সে তার ভয়ঙ্কর সিন্ডিকেট পরিচালনা করে আসছিল।
ড্রামের নিচে অস্ত্র
অভিযানের সময় আকাশ প্রথমে সবকিছু অস্বীকার করলেও তার দোকানের কোণায় রাখা একটি ড্রামের নিচ থেকে লোড করা পিস্তল উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত অস্ত্রের মধ্যে একটি বিদেশি পিস্তল, ম্যাগজিন এবং কয়েক রাউন্ড তাজা গুলি রয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে সে স্বীকার করেছে যে, তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বেও একাধিক হত্যা ও অস্ত্র মামলা রয়েছে। বর্তমানে সে আদালতের মাধ্যমে জামিনে থাকলেও পুনরায় একই অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে।
প্রশাসনিক কঠোর বার্তা
লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাফিস আরও জানান যে, আসন্ন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করা হয়েছে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে এবং এর সঙ্গে জড়িত অন্যদেরও গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। আটক আকাশকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশি রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে।
আরও পড়ুন
দেশজুড়ে > ঢাকা বিভাগ
জকসু নির্বাচনে ভোটের লড়াইয়ে তুমুল উত্তেজনা: ভিপি পদে ছাত্রদল, জিএস-এজিএস দখলে শিবির!
দেশজুড়ে > ঢাকা বিভাগ
বিপজ্জনক মাত্রায় বায়ুদূষণ এবং ঢাকার বাতাস এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বিষাক্ত
দেশজুড়ে > ঢাকা বিভাগ