সর্বশেষ
Loading breaking news...

মধ্যপ্রাচ্য আকাশপথে আংশিক সুবাতাস: স্থগিত ফ্লাইট চালুর জোর তৎপরতা

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনাপূর্ণ ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও আশার আলো দেখা যাচ্ছে। আকাশপথে যোগাযোগ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হলেও, ধাপে ধাপে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রুটে বিমান চলাচল পুনরায় শুরু করেছে বিভিন্ন এয়ারলাইন্স। বিশেষত ওমান এবং সৌদি আরবগামী বিমানগুলো বর্তমানে নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে, যা প্রবাসীদের জন্য স্বস্তি বয়ে এনেছে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশ তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে এক বিশাল বিপর্যয় নেমে আসে। ইরান, ইরাক, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং জর্ডান এই নিষেধাজ্ঞা জারি করায় ঢাকা থেকে অসংখ্য ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয় বিমান সংস্থাগুলো। এতে বিপাকে পড়েন হাজার হাজার বিদেশগামী যাত্রী।

২৬৮টি ফ্লাইট বাতিলের নজিরবিহীন চিত্র

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত মাত্র নয় দিনে সর্বমোট ২৬৮টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে কুয়েত এয়ারওয়েজ, জাজিরা এয়ারওয়েজ এবং এমিরেটসের মতো বড় সংস্থার ফ্লাইটও ছিল। সংকটের গভীরতা এতটাই ছিল যে প্রতিদিন গড়ে ত্রিশটির বেশি ফ্লাইট স্থগিত করতে হচ্ছিল।

ওমান ও সৌদির পথে নিয়মিত উড্ডয়ন

বিশাল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল হলেও সম্পূর্ণ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়নি। সংকটময় এই সময়েও ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৭ মার্চ পর্যন্ত ওমান, সৌদি আরব এবং আরব আমিরাতের গন্তব্যগুলোর উদ্দেশ্যে মোট ২১৪টি ফ্লাইট সফলভাবে পরিচালিত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসার সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য রুটেও পুনরায় ফ্লাইট চালুর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

যাত্রীদের প্রতি জরুরি পরামর্শ

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পরিস্থিতি ধীরে ধীরে স্থিতিশীল হচ্ছে। তবে ভ্রমণের পূর্বে যাত্রীদের সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা আবশ্যক। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ পরামর্শ দিয়েছে যে, যেকোনো ফ্লাইটে আরোহণের আগে যাত্রীদের অবশ্যই নিজ নিজ এয়ারলাইন্সের সঙ্গে যোগাযোগ করে সর্বশেষ সময়সূচি নিশ্চিত করে নিতে হবে। মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি প্রতিষ্ঠার ওপরই নির্ভর করছে স্বাভাবিক বিমান চলাচল।

আরও পড়ুন