সর্বশেষ
Loading breaking news...

পুঁজিবাজারে মিশ্র প্রবণতা: ডিএসইতে সূচক বৃদ্ধি পেলেও সিএসইতে পতন

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার
সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবস বুধবার দেশের পুঁজিবাজারে লেনদেন চলছে তীব্র উত্থান-পতন এবং অনিশ্চয়তার দোলাচলে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) এবং চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই)—উভয় বাজারেই সূচকের গতিবিধিতে মিশ্র সংকেত লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা বিনিয়োগকারীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এই মিশ্র প্রবণতা বাজারের ভবিষ্যতের দিক নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার জন্ম দিচ্ছে।

পুঁজিবাজারের প্রারম্ভিক চিত্র: সকালের শুরুতে কী ঘটল?

লেনদেন শুরুর প্রথম পাঁচ মিনিটেই ডিএসইএক্স সূচক ৫ পয়েন্ট বেড়ে যায়, যা বাজারে তাৎক্ষণিক আশার সঞ্চার করে। এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থেকে সকাল ১০টা ১০ মিনিটে সূচক আরও ২ পয়েন্ট বৃদ্ধি পায়। লেনদেনের ২০ মিনিট অতিবাহিত হওয়ার পর, অর্থাৎ সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স আগের দিনের তুলনায় ৯ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৫১ পয়েন্টে অবস্থান করে, যা বিনিয়োগকারীদের কিছুটা স্বস্তি এনে দেয়।

ডিএসইতে স্বস্তি: অর্ধেকের বেশি কোম্পানির দর বৃদ্ধি

সকাল সাড়ে ১০টা নাগাদ ডিএসইতে পরিস্থিতি অনেকটাই ইতিবাচক দিকে মোড় নেয়। এ সময়ে ডিএসইর প্রধান সূচক (ডিএসইএক্স) পূর্ববর্তী দিনের তুলনায় ১৩ পয়েন্ট বেড়ে ৫ হাজার ৫৫৬ পয়েন্টে স্থিতিশীল হয়। একইসাথে ডিএসই শরীয়াহ্ সূচক ২ পয়েন্ট এবং ডিএসই-৩০ সূচক ৪ পয়েন্ট বেড়ে যথাক্রমে ১,১০৩ ও ২,১৪৮ পয়েন্টে পৌঁছায়। এই আধা ঘণ্টার লেনদেনে মোট ৯৭ কোটি ৬ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট হাতবদল হয়।

শীর্ষ লেনদেন ও বিনিয়োগকারীর আস্থা

লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ২০১টির দর বৃদ্ধি পেয়েছে, ৭৬টির দর কমেছে এবং ৮৩টি কোম্পানির শেয়ারের দামে কোনো পরিবর্তন আসেনি। লেনদেনের শীর্ষে থাকা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে সিটি ব্যাংক, ইনটেক, ব্র্যাক ব্যাংক, সিনোবাংলা, সামিট পোর্ট, মোজাফফর হোসেন স্পিনিং, জিকিউ বলপেন, প্রাইম ফাইন্যান্স, খান ব্রাদার্স ও ইস্টার্ন ব্যাংক। এই চিত্র ডিএসইতে বিনিয়োগকারীদের কিছুটা আস্থা ফিরিয়ে আনতে সহায়ক হয়েছে।

চট্টগ্রামে ভিন্ন চিত্র: সূচকের নিম্নমুখী যাত্রা

অন্যদিকে, দেশের অপর বাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা পর্যন্ত সিএসইর প্রধান সূচক সিএএসপিআই (CASPI) ৯ পয়েন্ট হ্রাস পেয়ে ১৫ হাজার ৪৪৬ পয়েন্টে নেমে আসে। তবে সূচক পতনের পরেও পরবর্তীকালে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে, যা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে। এ সময়ে সিএসইতে মোট ৮০ লাখ টাকার শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের ইউনিট লেনদেন হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি কোম্পানির দর বেড়েছে, ৮টির দর কমেছে এবং ৩টি কোম্পানির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।

আরও পড়ুন