সর্বশেষ
Loading breaking news...

গণভোট নিয়ে অস্পষ্টতা কাটাতে সরকারের বিশেষ অভিযান ও দুই সহকারীর নেতৃত্ব

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

আসন্ন গণভোটের বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে বিরাজমান অস্পষ্টতা ও দ্বিধা দূর করতে দেশজুড়ে বিশেষ ও ব্যাপক সচেতনতা কার্যক্রম শুরু করেছে সরকার। উচ্চপর্যায়ের নির্দেশনা মেনে তৃণমূল পর্যন্ত এই বার্তা পৌঁছে দিতে প্রশিক্ষিত করা হচ্ছে মাঠপর্যায়ের সরকারি কর্মকর্তা, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং বেসরকারি সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিদের। এই মেগা কর্মসূচির তদারকিতে রয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, যা প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করেছে।

এই দেশব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে গতকাল রবিবার দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ বরিশালে দুটি পৃথক সম্মেলন আয়োজিত হয়। সেখানে বিভাগীয় কর্মকর্তা সম্মেলন এবং ইমাম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা কার্যক্রমের সূচনা ঘটিয়েছে। এসব প্রশিক্ষণমূলক সভায় গণভোটের প্রয়োজনীয়তা, প্রক্রিয়া ও প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ এবং অপর বিশেষ সহকারী মনির হায়দার।

দায়িত্ব বণ্টন ও কর্মপরিকল্পনা

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, কর্মসূচির সুষ্ঠু বাস্তবায়নের জন্য সুনির্দিষ্টভাবে দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়কে বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তা এবং বেসরকারি সংগঠনের প্রতিনিধিদের প্রশিক্ষণের আয়োজন করতে বলা হয়েছে। অন্যদিকে, ইমাম ও ধর্মীয় নেতাদের প্রশিক্ষিত ও সচেতন করার বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশনকে, আর এই সামগ্রিক উদ্যোগটি পরিচালিত হচ্ছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে।

সাত বিভাগে ধারাবাহিক সফর

সচেতনতা কার্যক্রমটি দ্রুত গতিতে দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যে দেশের অন্যান্য বিভাগেও একই ধরনের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হবে। সময়সূচি অনুযায়ী, আজ ১২ জানুয়ারি রাজশাহী, ১৪ জানুয়ারি রংপুর, ১৫ জানুয়ারি চট্টগ্রাম, ১৭ জানুয়ারি ঢাকা, ১৯ জানুয়ারি ময়মনসিংহ, ২২ জানুয়ারি সিলেট এবং ২৪ জানুয়ারি খুলনা বিভাগে বিভাগীয় পর্যায়ে ইমাম সম্মেলন ও মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে।

এই গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভাগুলিতে প্রশাসনের সর্বস্তরের কর্মকর্তারাসহ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ অংশীজনদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। এর মধ্যে থাকছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যসহ জ্যেষ্ঠ শিক্ষকমণ্ডলী, বরেণ্য সাংবাদিক, প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও সম্পাদকগণ, দোকান মালিক সমিতি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সমিতির নেতৃবৃন্দ, এনজিও প্রধান, ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। এই সভাগুলির মূল উদ্দেশ্য হলো, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের স্টেকহোল্ডারদের সচেতন করার মাধ্যমে গণভোট বিষয়ে ভোটারদের মধ্যে যেন ব্যাপক জনসচেতনতা তৈরি করা যায়, সে বিষয়ে তাদের উদ্বুদ্ধ করা।

আরও পড়ুন