নোয়াখালীর হাতিয়ায় সেতু নির্মাণের মাটি পরীক্ষায় মিলেছে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধান
নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় একটি সাধারণ সেতু নির্মাণের লক্ষ্যে রুটিন মাটি পরীক্ষা করতে গিয়ে মাটির গভীরে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রাথমিক অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এই অপ্রত্যাশিত আবিষ্কারটি স্থানীয় প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্য ও কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। বড় ধরনের কোনো দুর্ঘটনার আশঙ্কা এড়াতে আপাতত ওই স্থান থেকে গ্যাস নির্গমণ বন্ধ রাখা হয়েছে। ঘটনাটি হাতিয়ার চরকিং ইউনিয়নের ভৈরব বাজার সংলগ্ন একটি খালের পাড়ে ঘটেছে বলে জানা গেছে।
আকস্মিক এই আবিষ্কার
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হেলফ প্রকল্পের অধীনে ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণের কাজ চলছিল ওই স্থানে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রস্তুতিমূলক কাজ হিসেবে ঠিকাদারের শ্রমিকরা স্থানটিতে প্রায় ১১২ ফুট গভীরে মাটি পরীক্ষার কাজ সম্পন্ন করেন। কাজ শেষে তারা স্থান ত্যাগ করার পরদিন হঠাৎ করেই ওই কুপ থেকে বুদবুদ আকারে গ্যাস বের হতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে বিষয়টি নিয়ে ধন্দে থাকলেও পরবর্তীতে আগুনের শিখা দেখে নিশ্চিত হন।
স্থানীয়দের কৌতূহল ও আগুন
গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্থানীয় কয়েকজন কৌতূহলী মানুষ সেখানে আগুন ধরিয়ে দিলে বড় শিখা জ্বলে ওঠে যা গ্যাসের উপস্থিতি প্রমাণ করে। প্রত্যক্ষদর্শী বাপ্পি জানান,
প্রশাসনের নিরাপত্তা পদক্ষেপ
হাতিয়া উপজেলা প্রকৌশলী এমদাদুল হক গ্যাস নির্গমণের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানটিতে নির্গমণ বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকৌশলী আরও জানান যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং বিভাগীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে। বর্তমানে দুর্ঘটনা রোধে স্থানটি স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দলের অপেক্ষা
উপজেলা প্রশাসন আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) এই বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে। হাতিয়ার ইউএনও মো. আলাউদ্দিন বলেন, “আমরা বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর জন্য বাপেক্সকে দ্রুত অনুরোধ জানাব।” এই আবিষ্কারটি দ্বীপ অঞ্চলের জন্য নতুন খনিজ সম্পদের সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার উন্মোচন করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই পরিষ্কার হওয়া যাবে এখানে গ্যাসের বাণিজ্যিক মজুত রয়েছে কি না।
আকস্মিক এই আবিষ্কার
বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে পরিচালিত হেলফ প্রকল্পের অধীনে ৪৫ মিটার দৈর্ঘ্যের একটি সেতু নির্মাণের কাজ চলছিল ওই স্থানে। উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, প্রস্তুতিমূলক কাজ হিসেবে ঠিকাদারের শ্রমিকরা স্থানটিতে প্রায় ১১২ ফুট গভীরে মাটি পরীক্ষার কাজ সম্পন্ন করেন। কাজ শেষে তারা স্থান ত্যাগ করার পরদিন হঠাৎ করেই ওই কুপ থেকে বুদবুদ আকারে গ্যাস বের হতে শুরু করে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রথমে বিষয়টি নিয়ে ধন্দে থাকলেও পরবর্তীতে আগুনের শিখা দেখে নিশ্চিত হন।
স্থানীয়দের কৌতূহল ও আগুন
গ্যাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে স্থানীয় কয়েকজন কৌতূহলী মানুষ সেখানে আগুন ধরিয়ে দিলে বড় শিখা জ্বলে ওঠে যা গ্যাসের উপস্থিতি প্রমাণ করে। প্রত্যক্ষদর্শী বাপ্পি জানান,
“নিজের চোখে আগুন জ্বলতে দেখে আমরা নিশ্চিত হই যে এটি কোনো সাধারণ গ্যাস নয়।”খবরটি ছড়িয়ে পড়লে উৎসুক জনতার উপচে পড়া ভিড় জমে যায় এবং এলাকা জুড়ে ব্যাপক আলোচনার ঝড় ওঠে। তারা দাবি জানান, যদি এটি মূল্যবান খনিজ সম্পদ হয়, তবে সরকারের উচিত বিশেষজ্ঞ দিয়ে দ্রুত পরীক্ষা করানো।
প্রশাসনের নিরাপত্তা পদক্ষেপ
হাতিয়া উপজেলা প্রকৌশলী এমদাদুল হক গ্যাস নির্গমণের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান যে এটি অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি বিষয়। নিরাপত্তার স্বার্থে এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে স্থানটিতে নির্গমণ বন্ধের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা তাৎক্ষণিকভাবে গ্রহণ করা হয়েছে। প্রকৌশলী আরও জানান যে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে এবং বিভাগীয় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে অবহিত করা হয়েছে। বর্তমানে দুর্ঘটনা রোধে স্থানটি স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে।
বাপেক্সের বিশেষজ্ঞ দলের অপেক্ষা
উপজেলা প্রশাসন আগামী এক থেকে দুই দিনের মধ্যে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেডকে (বাপেক্স) এই বিষয়ে বিস্তারিত জানাবে। হাতিয়ার ইউএনও মো. আলাউদ্দিন বলেন, “আমরা বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর জন্য বাপেক্সকে দ্রুত অনুরোধ জানাব।” এই আবিষ্কারটি দ্বীপ অঞ্চলের জন্য নতুন খনিজ সম্পদের সম্ভাবনার এক নতুন দুয়ার উন্মোচন করতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমেই পরিষ্কার হওয়া যাবে এখানে গ্যাসের বাণিজ্যিক মজুত রয়েছে কি না।