ঔষধ ছাড়াই নাক বন্ধের যন্ত্রণা থেকে মুক্তি! জেনে নিন ৮টি বিস্ময়কর ঘরোয়া উপায়
ঋতু পরিবর্তনের ছোঁয়া লাগতেই বা সামান্য ধুলোবালিতেই কি আপনার নাক বন্ধ হয়ে যায়? শ্বাস নিতে কষ্ট, ঘুমে ব্যাঘাত আর কাজে অমনোযোগ—এই অস্বস্তিকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে ছোটেন। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কিছু সহজ ও বৈজ্ঞানিকভাবে পরীক্ষিত ঘরোয়া পদ্ধতিতেই এই সমস্যা থেকে দ্রুত আরাম পাওয়া সম্ভব।
জলীয় বাষ্প থেকে স্যালাইন: বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় প্রাকৃতিক আরোগ্যনাক বন্ধের মূল কারণ হলো নাকের ভেতরের মিউকাস বা শ্লেষ্মা জমে যাওয়া। একে দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো জলীয় পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া। স্যালাইন ওয়াশ বা লবণ-পানির ব্যবহার নাকের ভেতর থেকে শ্লেষ্মা, জীবাণু ও অ্যালার্জেন ধুয়ে বের করে দেয়। পাশাপাশি, গরম পানির ভাপ বা উষ্ণ জলে স্নান করলে জমে থাকা শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে বেরিয়ে আসে, ফলে নাক মুহূর্তেই পরিষ্কার হয়। একইসাথে, শরীরকে আর্দ্র রাখাও জরুরি। পর্যাপ্ত জল, গরম স্যুপ বা ভেষজ চা পান করলে শ্লেষ্মা পাতলা থাকে এবং অস্বস্তি কমে।
জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন, স্বস্তিতে নিন নিঃশ্বাসদৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলে ফেলেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যেমন, ঘুমানোর সময় মাথার নিচে অতিরিক্ত বালিশ ব্যবহার করলে মাথা সামান্য উঁচু থাকে, যা শ্লেষ্মা সহজে নামতে সাহায্য করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখে। শুষ্ক আবহাওয়ায় হিউমিডিফায়ার ঘরের বাতাসকে আর্দ্র রেখে নাকের প্রদাহ কমায়। অন্যদিকে, হালকা ব্যায়াম শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে নাক খুলতে সাহায্য করে। দ্রুত আরাম পেতে নাকের পাশে গরম বা ঠান্ডা সেঁক দেওয়াও একটি চমৎকার কৌশল।
জলীয় বাষ্প থেকে স্যালাইন: বিজ্ঞানের ছোঁয়ায় প্রাকৃতিক আরোগ্যনাক বন্ধের মূল কারণ হলো নাকের ভেতরের মিউকাস বা শ্লেষ্মা জমে যাওয়া। একে দূর করার সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো জলীয় পদ্ধতির সাহায্য নেওয়া। স্যালাইন ওয়াশ বা লবণ-পানির ব্যবহার নাকের ভেতর থেকে শ্লেষ্মা, জীবাণু ও অ্যালার্জেন ধুয়ে বের করে দেয়। পাশাপাশি, গরম পানির ভাপ বা উষ্ণ জলে স্নান করলে জমে থাকা শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে বেরিয়ে আসে, ফলে নাক মুহূর্তেই পরিষ্কার হয়। একইসাথে, শরীরকে আর্দ্র রাখাও জরুরি। পর্যাপ্ত জল, গরম স্যুপ বা ভেষজ চা পান করলে শ্লেষ্মা পাতলা থাকে এবং অস্বস্তি কমে।
জীবনযাত্রায় সামান্য পরিবর্তন, স্বস্তিতে নিন নিঃশ্বাসদৈনন্দিন কিছু অভ্যাস বদলে ফেলেও এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। যেমন, ঘুমানোর সময় মাথার নিচে অতিরিক্ত বালিশ ব্যবহার করলে মাথা সামান্য উঁচু থাকে, যা শ্লেষ্মা সহজে নামতে সাহায্য করে এবং শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক রাখে। শুষ্ক আবহাওয়ায় হিউমিডিফায়ার ঘরের বাতাসকে আর্দ্র রেখে নাকের প্রদাহ কমায়। অন্যদিকে, হালকা ব্যায়াম শরীরে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে নাক খুলতে সাহায্য করে। দ্রুত আরাম পেতে নাকের পাশে গরম বা ঠান্ডা সেঁক দেওয়াও একটি চমৎকার কৌশল।
অনেকেই দ্রুত আরাম পেতে ডিকনজেস্ট্যান্ট স্প্রে ব্যবহার করেন। এটি সাময়িকভাবে কাজ করলেও, বিশেষজ্ঞদের মতে, একটানা ৩-৫ দিনের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।এই ঘরোয়া উপায়গুলো সাধারণ নাক বন্ধের সমস্যায় দারুণ কার্যকর। তবে সমস্যা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।