ঢাবির ট্যুরিজম অ্যালামনাইয়ের নতুন নেতৃত্বে চন্দন ও তারেক
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগের অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন এক নতুন দিগন্তে যাত্রা শুরু করেছে। সম্প্রতি ৫০ সদস্যবিশিষ্ট একটি পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংগঠনটি তাদের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করলো। নতুন এই কমিটিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের উপপরিচালক চন্দন দাসকে সভাপতি এবং গোপালগঞ্জ জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এস এম তারেক সুলতানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নির্বাচিত করা হয়েছে।
ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে নতুন পথচলা
পবিত্র রমজান উপলক্ষে আয়োজিত এক বর্ণিল ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়ে এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটির পথচলা শুরু হয়। বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। ব্যাংক ও প্রশাসনের দুই গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার নেতৃত্বে এই সংগঠনটি আগামী দিনে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের ঐক্যবদ্ধ করতে এবং বিভাগের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
কমিটির অন্যান্য সদস্যরাও দেশের শীর্ষস্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত আছেন। এই শক্তিশালী নেটওয়ার্ক অ্যালামনাইদের মধ্যে পেশাগত সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে এবং পারস্পরিক উন্নয়নের নতুন পথ তৈরি করবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, শেকড়ের সাথে যুক্ত থাকা এবং দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে অবদান রাখা এই সংগঠনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।
বিভাগ ও শিক্ষার্থীদের জন্য সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম
নবগঠিত এই অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন মূলত বর্তমান শিক্ষার্থী ও প্রাক্তনদের মধ্যে একটি কার্যকর সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করবে। এটি একটি সমন্বিত প্ল্যাটফর্ম হিসেবে শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার পরিকল্পনা এবং সঠিক দিকনির্দেশনা প্রদানে মেন্টরিং প্রোগ্রামের মতো উদ্যোগ গ্রহণ করবে। এছাড়া পর্যটন খাতের ব্র্যান্ডিং এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে বিভাগকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তুলে ধরার পরিকল্পনাও রয়েছে তাদের।
বিভাগের চেয়ারম্যানসহ জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা নতুন কমিটির এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই নেটওয়ার্ক যে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মানোন্নয়নে অপরিহার্য। বিভিন্ন ব্যাচের প্রতিনিধিরা এই নতুন কমিটির প্রতি তাদের পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেছেন এবং তরুণ শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে একত্রে কাজ করার অঙ্গীকার করেছেন।