হিমালয়ের নিশ্বাসে কাঁপছে উত্তরের জনপদ, পঞ্চগড়ে পারদ নামল ৮-এর ঘরে
উত্তরের সীমান্ত জেলা পঞ্চগড়ে জেঁকে বসেছে হাড়কাঁপানো শীত। হিমালয়ের অতি সন্নিকটে হওয়ায় উত্তর দিক থেকে ধেয়ে আসা কনকনে হিমেল হাওয়ায় বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কবলে পড়ে চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ। ঘন কুয়াশার কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় বিঘ্ন ঘটছে।
হিমেল হাওয়ায় জবুথবু প্রকৃতি
সকাল ৬টায় দেশের উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। এর আগের দিন সোমবার এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ তাপমাত্রার এই আকস্মিক পতনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জীবিকা ও স্বাস্থ্যের ওপর তীব্র আঘাত
তীব্র এই শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে চা শ্রমিক ও পাথর শ্রমিকদের কর্মজীবন। শীতের প্রকোপে কাজে বের হতে না পারায় কমেছে আয়, ফলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন দরিদ্র মানুষগুলো। অন্যদিকে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে প্রবীণ ও শিশুদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।
হিমেল হাওয়ায় জবুথবু প্রকৃতি
সকাল ৬টায় দেশের উত্তরের উপজেলা তেঁতুলিয়ায় মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ। এর আগের দিন সোমবার এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ তাপমাত্রার এই আকস্মিক পতনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জীবিকা ও স্বাস্থ্যের ওপর তীব্র আঘাত
তীব্র এই শীতে স্থবির হয়ে পড়েছে চা শ্রমিক ও পাথর শ্রমিকদের কর্মজীবন। শীতের প্রকোপে কাজে বের হতে না পারায় কমেছে আয়, ফলে মানবেতর জীবন যাপন করছেন দরিদ্র মানুষগুলো। অন্যদিকে হাসপাতালগুলোতে বাড়ছে সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টজনিত রোগীর সংখ্যা। বিশেষ করে প্রবীণ ও শিশুদের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতিতে অসহায় শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।