সর্বশেষ
Loading breaking news...

বিশ্ববাজার দখলে প্রধানমন্ত্রীর মেগা অ্যাকশন প্ল্যান

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

বৈশ্বিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অংশীদারিত্ব বাড়াতে সরকার এক মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের অবাধ প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে শুল্ক ও অশুল্ক বাধা অপসারণে একটি উচ্চাভিলাষী অ্যাকশন প্ল্যান তৈরির নির্দেশ দিয়েছেন। এর আওতায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো বড় বাজারগুলোর সঙ্গে জোরালো আলোচনা শুরু হবে।

মুক্তবাণিজ্য ও কৌশলগত চুক্তির অগ্রাধিকার

জাপানের সাথে পিটিএ স্বাক্ষরের সাফল্যের পর সরকার এখন বিভিন্ন দেশের সাথে এফটিএ ও ইপিএ স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তর ইউএসটিআর-এর সাথে নতুন করে দরকষাকষির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) আসন্ন সম্মেলনেও বাংলাদেশের বাণিজ্য বাধাগুলো জোরালোভাবে উত্থাপন করার প্রস্তুতি চলছে।

বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান জানিয়েছেন যে, রপ্তানি বাজার বহুমুখীকরণ এখন সরকারের প্রধান লক্ষ্য। পোশাক, চামড়া ও তথ্যপ্রযুক্তি খাতের বাজার প্রসারে বন্দর অবকাঠামো উন্নয়ন ও শুল্ক কাঠামোর সংস্কার করা হবে। প্রতিযোগী ভিয়েতনামের চেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে যেতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশসহ অন্তত ৪০টি দেশের সাথে মুক্তবাণিজ্য সুবিধা তৈরির চেষ্টা চলছে।

নভেম্বরের মধ্যে চারটি বড় চুক্তি সইয়ের লক্ষ্য

সরকার চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে মুক্তবাণিজ্য চুক্তি বা এফটিএ সই করার চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে। এলডিসি উত্তরণ পরবর্তী চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারি চুক্তি (ইপিএ) বাংলাদেশের রপ্তানি আয় বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

পরবর্তী ধাপে চীন, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ও সৌদি আরবের মতো বড় দেশগুলোর সাথেও এফটিএ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এই মহাপরিকল্পনা সফল হলে বিশ্ব অর্থনীতিতে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল হবে এবং রপ্তানি খাতে নতুন যুগের সূচনা ঘটবে বলে অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন।

আরও পড়ুন