সর্বশেষ
Loading breaking news...

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে তারেক রহমানের জরুরি বৈঠক: বিকেলে জামায়াতের ইফতারে অংশগ্রহণ

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

সপ্তাহের ছুটির দিন হওয়া সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জরুরি ভিত্তিতে শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপস্থিত হয়েছেন। সরকারি সূত্রে জানা গেছে, সকাল ১০টার পর তিনি তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রবেশ করেন এবং দপ্তরের প্রধান ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভায় মিলিত হন। ছুটির দিনে প্রধানমন্ত্রীর এই আকস্মিক উপস্থিতি সরকারি মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অফিস সময়ের বাইরে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততা

সাধারণত ছুটির দিনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এমন উচ্চপর্যায়ের বৈঠক বিরল। ধারণা করা হচ্ছে, দাপ্তরিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়াদি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যেই তিনি এই সময়টি বেছে নিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ও অধীনস্থ দপ্তরগুলোর প্রধানদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভার মূল আলোচ্যসূচি এখনো স্পষ্ট না হলেও, এর মাধ্যমে প্রশাসনিক স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে দিকনির্দেশনা প্রদান করা হতে পারে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী দাপ্তরিক স্বচ্ছতা ও কাজের গতি বৃদ্ধির ওপর জোর দেন বলে জানা গেছে। বিশেষ করে সরকারি প্রকল্পের তদারকি এবং জনগণের সেবা নিশ্চিত করতে কর্মকর্তাদের আরও সক্রিয় হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। ছুটির দিনে এই কর্মতৎপরতা প্রশাসনের ভেতর এক নতুন গতির সঞ্চার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

সন্ধ্যার এজেন্ডা: জামায়াতের ইফতার মাহফিল

কর্মব্যস্ত দিনের দ্বিতীয় ভাগে প্রধানমন্ত্রীর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে। আজ বিকেলে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সংসদের বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে আয়োজিত এক বিশেষ ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে জামায়াতের নেতৃবৃন্দ প্রধানমন্ত্রীর হাতে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পৌঁছে দিয়েছিলেন এবং তখনই তিনি উপস্থিত থাকার সম্মতি জানিয়েছিলেন।

একদিনের কর্মসূচিতে দাপ্তরিক বৈঠক ও রাজনৈতিক সখ্যতার এই মেলবন্ধনকে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ করে দেখছেন। সরকারের প্রধান হিসেবে প্রশাসনিক দায়িত্ব পালন এবং বিরোধী দলের সঙ্গে এই ধরনের আনুষ্ঠানিক কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ—এই দুইয়ের সমন্বয় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কৌশলেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। এই ইফতার মাহফিলের মাধ্যমে রাজনৈতিক পরিবেশ আরও সুসংহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন