নাটোরে ছেলের পিস্তল খেলার ছলে গুলিবিদ্ধ পুলিশ কর্মকর্তা বাবা
নাটোরে পুলিশ লাইন্সের ভেতরেই ঘটে গেল এক অনাকাঙ্ক্ষিত ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। নিজের ব্যবহৃত সরকারি পিস্তলের গুলিতেই গুরুতর জখম হয়েছেন দেওয়ান মামুন নামের পুলিশের এক সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই)। নিজ বাসভবনে বিশ্রাম নেওয়ার প্রস্তুতিমুহূর্তে এই দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
খেলার ছলে হঠাৎ ‘মিস ফায়ার’ হলে আগ্নেয়াস্ত্রটি গর্জে ওঠে এবং গুলিটি সরাসরি এসআই মামুনের বাম পায়ে বিদ্ধ হয়। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় পুলিশ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
তবে রক্তপাত ও জখমের গভীরতা বিবেচনা করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন।
মারণাস্ত্র যখন ছেলের খেলনা
নাটোর জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিদেশি নাগরিকদের নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন শেষে বাসায় ফেরেন এসআই দেওয়ান মামুন। ক্লান্ত শরীরে নিজের ব্যবহৃত লোডেড পিস্তলটি তিনি শোবার ঘরের বিছানার ওপর রেখে ওয়াশরুমে প্রবেশ করেন। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঘটে বিপত্তি। বাবার অগোচরে তার শিশু সন্তানটি বিছানায় রাখা পিস্তলটি নিয়ে নাড়াচাড়া শুরু করে।খেলার ছলে হঠাৎ ‘মিস ফায়ার’ হলে আগ্নেয়াস্ত্রটি গর্জে ওঠে এবং গুলিটি সরাসরি এসআই মামুনের বাম পায়ে বিদ্ধ হয়। এই অপ্রত্যাশিত ঘটনায় পুলিশ পরিবারে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
দ্রুত উদ্ধার ও উন্নত চিকিৎসার পথে
গুলির বিকট শব্দ ও আর্তনাদ শুনে দ্রুত ছুটে আসেন পুলিশ লাইন্সের অন্য সহকর্মীরা। রক্তাক্ত অবস্থায় দেওয়ান মামুনকে উদ্ধার করে প্রথমে নাটোর সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাকে একটি স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়।তবে রক্তপাত ও জখমের গভীরতা বিবেচনা করে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য জরুরি ভিত্তিতে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তার অবস্থা স্থিতিশীল রাখতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছেন।