সর্বশেষ
Loading breaking news...

শহীদ সেনা দিবসে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ: উপস্থিত ছিলেন সামরিক শীর্ষ কর্মকর্তারা

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

শহীদ সেনা দিবস উপলক্ষে বনানীর সামরিক কবরস্থানে পিলখানায় নিহত বীর সেনানায়কদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনকালে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এক বিশেষ মুহূর্তে মিলিত হয়েছেন। দেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক ও সামরিক নেতৃত্বের এই উপস্থিতি জাতীয় সংহতির এক অনন্য চিত্র তুলে ধরে। স্মৃতির মিনার প্রাঙ্গণে এই জমায়েত জাতির শোকের বহিঃপ্রকাশ।

স্মৃতির মিনার প্রাঙ্গণে শীর্ষ নেতৃত্বের সমাবেশ

শহীদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা নিবেদনকালে রাষ্ট্রপতির সাথে প্রধানমন্ত্রীর এই অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাৎ হয়। সামরিক শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের এই কর্মসূচিটি কেবল স্মরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি দেশের নিরাপত্তা কাঠামো ও নেতৃত্বের মধ্যকার সুদৃঢ় সংযোগের একটি সুস্পষ্ট প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তারা উভয়েই দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতে শহীদদের অবদানকে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন।

রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎকালে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারকগণ। শীর্ষ কর্মকর্তাদের এই অভিন্ন উপস্থিতি জাতীয় নিরাপত্তা বিষয়ে সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকারের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই দিনটি এখন জাতির ইতিহাসের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

নিরাপত্তা বলয়ের উপস্থিতি

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খান উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীও শহীদদের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। সামরিক বাহিনীর এই শীর্ষ পর্যায়ের উপস্থিতি শোক দিবসের মর্যাদা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় সংঘটিত মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান। সেই রক্তক্ষয়ী দিনের স্মৃতিকে সম্মান জানাতেই প্রতি বছর এই দিনটি গভীর শ্রদ্ধার সাথে পালিত হয়। ২০২৪ সাল থেকে এই দিনটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শহীদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে, যা জাতির কাছে এই মহান আত্মত্যাগের গুরুত্বকে পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করেছে।

আরও পড়ুন