শীতের তীব্রতায় জামালপুর কারাগারে হাজতির করুণ মৃত্যু
জামালপুর জেলা কারাগারে শীতের প্রকোপে এক সাজাপ্রাপ্ত হাজতির মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। গত শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে এই ঘটনা ঘটে, যা কারা এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে। মাদক মামলায় দুই বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামি সুলতান শেখ শ্বাসকষ্ট ও চর্মরোগে ভুগছিলেন। এই অপ্রত্যাশিত মৃত্যু কারাগারের স্বাস্থ্যবিধি ও শীতকালীন প্রস্তুতির বিষয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে।
আসামির পূর্ব অসুস্থতাকারা সূত্র অনুযায়ী, নিহত সুলতান শেখ ইসলামপুর উপজেলার নটারকান্দা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মাদক সংক্রান্ত একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে দুই বছরের সাজা ভোগ করছিলেন। মৃত্যুর আগে থেকেই তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন বলে কারা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। দীর্ঘ দিন ধরে তার শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা এবং গুরুতর চর্মরোগ ছিল।
হাসপাতাল থেকে ফেরা ও অসুস্থতাজানা যায়, সুলতান শেখের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এর আগেও তাকে জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু গত শনিবার সকালে তীব্র শীতের কারণে তাঁর শ্বাসকষ্ট হঠাৎ করেই মারাত্মক আকার ধারণ করে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে দ্রুত আবারও হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে কারাগার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্যজামালপুর জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার ইমতিয়াজ জাকারিয়া এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “সাজাপ্রাপ্ত হাজতি সুলতান শেখ শ্বাসকষ্ট এবং চর্মরোগে আক্রান্ত ছিলেন।” জাকারিয়া আরও জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারা কর্তৃপক্ষ কোনো অস্বাভাবিকতার দাবি অস্বীকার করেছে, এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দেখছে।
মৃত্যু কারণ নির্ণয়ে পদক্ষেপকর্তৃপক্ষের দাবি সত্ত্বেও, সুলতান শেখের মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারাগার অভ্যন্তরে এমন মৃত্যু সাধারণত প্রশ্ন তোলে এবং স্বচ্ছ তদন্তের দাবি করে। এই ঘটনা শীতকালে বন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার মান নিয়ে পুনরায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হবে।
আসামির পূর্ব অসুস্থতাকারা সূত্র অনুযায়ী, নিহত সুলতান শেখ ইসলামপুর উপজেলার নটারকান্দা এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি মাদক সংক্রান্ত একটি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হয়ে দুই বছরের সাজা ভোগ করছিলেন। মৃত্যুর আগে থেকেই তিনি বিভিন্ন শারীরিক জটিলতায় আক্রান্ত ছিলেন বলে কারা কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে। দীর্ঘ দিন ধরে তার শ্বাসকষ্টজনিত সমস্যা এবং গুরুতর চর্মরোগ ছিল।
হাসপাতাল থেকে ফেরা ও অসুস্থতাজানা যায়, সুলতান শেখের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে এর আগেও তাকে জামালপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। কিন্তু গত শনিবার সকালে তীব্র শীতের কারণে তাঁর শ্বাসকষ্ট হঠাৎ করেই মারাত্মক আকার ধারণ করে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় তাকে দ্রুত আবারও হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করলে কারাগার এলাকায় শোকের ছায়া নেমে আসে।
কারা কর্তৃপক্ষের বক্তব্যজামালপুর জেলা কারাগারের ভারপ্রাপ্ত জেলার ইমতিয়াজ জাকারিয়া এই মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, “সাজাপ্রাপ্ত হাজতি সুলতান শেখ শ্বাসকষ্ট এবং চর্মরোগে আক্রান্ত ছিলেন।” জাকারিয়া আরও জানান, শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসার জন্য তাকে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কারা কর্তৃপক্ষ কোনো অস্বাভাবিকতার দাবি অস্বীকার করেছে, এটিকে স্বাভাবিক মৃত্যু হিসেবে দেখছে।
মৃত্যু কারণ নির্ণয়ে পদক্ষেপকর্তৃপক্ষের দাবি সত্ত্বেও, সুলতান শেখের মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। কারাগার অভ্যন্তরে এমন মৃত্যু সাধারণত প্রশ্ন তোলে এবং স্বচ্ছ তদন্তের দাবি করে। এই ঘটনা শীতকালে বন্দিদের স্বাস্থ্যসেবা ও জীবনযাত্রার মান নিয়ে পুনরায় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটিত হবে।