রাজশাহীতে হাড়কাঁপানো শীত: এক ধাক্কায় ৩ ডিগ্রি কমে মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা
উত্তর জনপদের জেলা রাজশাহীতে শীতের প্রকোপ এখন চরমে। মাঘের হাড়কাঁপানো শীত আর কনকনে হিমেল হাওয়ায় জনজীবন একপ্রকার স্থবির হয়ে পড়েছে। সকালে জেলায় চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে মাত্র ৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর ফলে পুরো অঞ্চলজুড়ে বয়ে যাচ্ছে মাঝারি ধরনের শৈত্যপ্রবাহ। ঘন কুয়াশার কারণে সড়ক ও নৌপথে যান চলাচল বিঘ্নিত হচ্ছে।
কুয়াশার চাদরে ঢাকা প্রকৃতির রুদ্ররূপ
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রার পারদ নাটকীয়ভাবে নিচে নেমেছে। আগের দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা একলাফে ৩ ডিগ্রি কমে ৭ ডিগ্রিতে এসে ঠেকেছে। সকাল ৬টার দিকে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ এবং ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ৬০০ মিটারে নেমে আসে। তীব্র শীতে ঘর থেকে বের হওয়াই যেন সাধারণ মানুষের জন্য দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শীতে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার দাপটে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের মানুষ ও দিনমজুররা। রাজশাহী নগরীর রিকশাচালক আব্দুল করিম জানান, শীতে হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়ায় ভোরে রাস্তায় নামতে পারছেন না। একই অবস্থা দিনমজুর রফিকুল ইসলামেরও। এছাড়া স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন শিশু ও বয়স্করা। আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন শীতের এই তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে।
কুয়াশার চাদরে ঢাকা প্রকৃতির রুদ্ররূপ
রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে তাপমাত্রার পারদ নাটকীয়ভাবে নিচে নেমেছে। আগের দিন সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা একলাফে ৩ ডিগ্রি কমে ৭ ডিগ্রিতে এসে ঠেকেছে। সকাল ৬টার দিকে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ১০০ শতাংশ এবং ঘন কুয়াশার কারণে দৃষ্টিসীমা ৬০০ মিটারে নেমে আসে। তীব্র শীতে ঘর থেকে বের হওয়াই যেন সাধারণ মানুষের জন্য দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শীতে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
তীব্র শীত আর ঘন কুয়াশার দাপটে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন জেলার নিম্ন আয়ের মানুষ ও দিনমজুররা। রাজশাহী নগরীর রিকশাচালক আব্দুল করিম জানান, শীতে হাত-পা অবশ হয়ে যাওয়ায় ভোরে রাস্তায় নামতে পারছেন না। একই অবস্থা দিনমজুর রফিকুল ইসলামেরও। এছাড়া স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়েছেন শিশু ও বয়স্করা। আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিন শীতের এই তীব্রতা অব্যাহত থাকতে পারে।