সর্বশেষ
Loading breaking news...

রাজশাহী নগরীর বাসা থেকে রাবি ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, আত্মহত্যার ধারণা

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাসে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নগরীর চন্দ্রিমা থানাধীন মেহেরচণ্ডী এলাকার একটি আবাসিক বাসা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত শিক্ষার্থী জুবাইদা ইসলাম ইতি রাবির সমাজকর্ম বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও, মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে জোর তদন্ত শুরু হয়েছে।

হাসপাতালে মৃত্যু ঘোষণা

অচেতন অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক শঙ্কর কুমার বিশ্বাস জানান, প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া ও সুরতহাল শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে, যা মৃত্যুর সঠিক কারণ উন্মোচনে সহায়তা করবে।

পারিবারিক প্রেক্ষাপট

জানা গেছে, মৃত ছাত্রী ইতি মেহেরচণ্ডী এলাকার ওই বাসায় মায়ের সঙ্গেই বসবাস করতেন। তার বাবা ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজে (আইবিএস) একজন পিয়ন হিসেবে কর্মরত। পরিবারের একমাত্র অবলম্বন ও স্বপ্নসারথি এই মেধাবী ছাত্রীর মর্মান্তিক মৃত্যুতে শিক্ষক-শিক্ষার্থী মহলে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে এবং পরিবারটি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছে।

বিভাগের শোক

ঘটনার আকস্মিকতায় হতবাক হয়ে পড়েছেন সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক ও সহপাঠীরা। বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস জানিয়েছেন, শিক্ষার্থীর মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও নিশ্চিত নয়। তবে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তীব্র মানসিক অবসাদ বা বিষন্নতা থেকেই তিনি এমন চরম পদক্ষেপ নিতে পারেন। ময়নাতদন্ত রিপোর্ট হাতে আসার পর মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

প্রশাসনের বক্তব্য

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন মেহেরচণ্ডী এলাকার একটি বাসা থেকে ছাত্রীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রাথমিকভাবে এটিকে আত্মহত্যা বলে মনে করা হচ্ছে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে পুলিশি তদন্ত চলমান রয়েছে। চন্দ্রিমা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম জানিয়েছেন, এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

আরও পড়ুন