টানা ৩ দিন সূর্যের দেখা নেই, ১০ ডিগ্রিতে নামল সাতক্ষীরার তাপমাত্রা!
কনকনে শীত আর ঘন কুয়াশার চাদরে মুড়েছে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সীমান্ত জেলা সাতক্ষীরা। হাড়কাঁপানো হিমেল হাওয়া আর গত তিন দিন ধরে সূর্যের দেখা না মেলায় জনজীবন কার্যত স্থবির হয়ে পড়েছে। কুয়াশার ঘনত্ব এতটাই বেশি যে, দিনের বেলাতেও যানবাহনকে হেডলাইট জ্বালিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। তীব্র শীতে সাধারণ মানুষের কষ্টের সীমা নেই।
শীতের কামড়ে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ। এর আগের দিন সোমবার এই তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা যেন আরও জেঁকে বসছে। ফলে শহরের রাস্তাঘাট ও বাজার অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন দিনমজুর, কৃষি শ্রমিক ও ছিন্নমূল মানুষরা। শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়কুটো ও লতাপাতা জ্বালিয়ে একটু উষ্ণতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
শিশুদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস
হাড়কাঁপানো এই শীতে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সামছুর রহমান পরামর্শ দিয়েছেন, তীব্র শীতে শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। তাদের গরম কাপড় ও হাতমোজা পরিয়ে রাখতে হবে এবং খুব ভোরে বাইরে বের করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানিয়েছেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে তাপমাত্রার পারদ আরও ওঠানামা করতে পারে, ফলে শীতের তীব্রতা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।
শীতের কামড়ে বিপাকে খেটে খাওয়া মানুষ
আবহাওয়া অফিসের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) ভোর ৬টায় জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯৮ শতাংশ। এর আগের দিন সোমবার এই তাপমাত্রা ছিল ১১ দশমিক ৫ ডিগ্রি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শীতের তীব্রতা যেন আরও জেঁকে বসছে। ফলে শহরের রাস্তাঘাট ও বাজার অনেকটাই জনশূন্য হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন দিনমজুর, কৃষি শ্রমিক ও ছিন্নমূল মানুষরা। শীতবস্ত্রের অভাবে অনেকেই খড়কুটো ও লতাপাতা জ্বালিয়ে একটু উষ্ণতা পাওয়ার চেষ্টা করছেন।
শিশুদের নিয়ে বিশেষ সতর্কতা ও আবহাওয়ার পূর্বাভাস
হাড়কাঁপানো এই শীতে শিশু ও বয়স্কদের মধ্যে ঠান্ডাজনিত রোগের প্রকোপ বাড়ছে। সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. সামছুর রহমান পরামর্শ দিয়েছেন, তীব্র শীতে শিশুদের প্রতি বিশেষ যত্ন নিতে হবে। তাদের গরম কাপড় ও হাতমোজা পরিয়ে রাখতে হবে এবং খুব ভোরে বাইরে বের করা থেকে বিরত থাকতে হবে। অন্যদিকে, সাতক্ষীরা আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জুলফিকার আলী রিপন জানিয়েছেন, আগামী দু-এক দিনের মধ্যে তাপমাত্রার পারদ আরও ওঠানামা করতে পারে, ফলে শীতের তীব্রতা বজায় থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।