সর্বশেষ
Loading breaking news...

শারজাহ চ্যারিটি ও আমিরাত দূতাবাসের উদ্যোগে হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

হিজরী ১৪৪৭ সালের হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাস এবং শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনালের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তরুণ হাফেজদের প্রতিভার ভূয়সী প্রশংসা করা হয়। এই ধরনের আয়োজন নতুন প্রজন্মের মধ্যে ইসলামিক শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতিযোগিতার ব্যাপ্তি ও অংশগ্রহণ

এবারের প্রতিযোগিতায় দেশের ১৫৩টি মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে সর্বমোট ৮৪৮ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। ১০ পারা, ১৫ পারা এবং পূর্ণ ৩০ পারা মুখস্থ করার তিনটি ভিন্ন গ্রুপে শিক্ষার্থীরা তাদের দক্ষতা প্রদর্শন করেন। বিপুল সংখ্যক প্রতিযোগীর উপস্থিতি কোরআন শিক্ষার প্রসারে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

সম্মানিত অতিথিবৃন্দ

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের বৈদেশিক সাহায্য শাখার প্রধান রাশেদ আল-মিল আয যিআবি। শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল-বাংলাদেশ অফিসের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফয়সাল আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট আলেম-ওলামা এবং কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা বক্তব্য রাখেন। বক্তারা বাংলাদেশের ধর্মীয় শিক্ষার মানোন্নয়নে আমিরাতের সহযোগিতার কথা কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণ করেন।

বিচারকমণ্ডলীর নিরপেক্ষ মূল্যায়নের মাধ্যমে চারটি কেন্দ্র থেকে মোট ৩৬ জন শিক্ষার্থীকে চূড়ান্ত বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করা হয়। বিজয়ীদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট এবং নগদ অর্থ তুলে দেওয়া হয়। এই স্বীকৃতি শিক্ষার্থীদের শুধু উৎসাহিতই করবে না, বরং তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা জীবনে আরও একাগ্র হওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাবে।

শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনালের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, ভবিষ্যতে এই প্রতিযোগিতার পরিধি আরও বাড়ানো হবে। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের অভিভাবক এবং শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন, যা পুরো আয়োজনে এক আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে। আয়োজকরা আশা করছেন, এই ধরনের ইসলামিক সাংস্কৃতিক বিনিময় দুই দেশের সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করবে।

আরও পড়ুন