সুনামগঞ্জে নজিরবিহীন কাণ্ড! ৭ বিষয়ে ফেল করে এসএসসি পরীক্ষার দাবিতে স্কুলে তালা ঝোলাল ছাত্র
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে এক ছাত্রের বিরুদ্ধে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ না দেওয়ায় স্কুলে তালা ঝুলিয়ে দেওয়ার মতো এক নজিরবিহীন অভিযোগ উঠেছে। টেস্ট পরীক্ষায় সাতটি বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়ার পরেও সে পরীক্ষায় বসতে চেয়েছিল বলে জানা গেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের লিয়াকতগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজে। এই ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং স্থানীয় শিক্ষা ব্যবস্থার শৃঙ্খলা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে।
"আমি না পারলে কাউকেই পরীক্ষা দিতে দেব না!"
স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আরিফ ওই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র। মঙ্গলবার সকালে সে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের ওপর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ তার কাছে অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফ অকপটে স্বীকার করে যে সে সাত বিষয়ে ফেল করেছে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে সে শিক্ষকদের হুমকি দেয়। আরিফ বলে, তাকে সুযোগ না দেওয়া হলে এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা অন্য কোনো শিক্ষার্থীকেও সে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেবে না। এই হুমকির পরই সে তার সঙ্গীদের নিয়ে বিদ্যালয়ের কয়েকটি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
হতবাক কর্তৃপক্ষ, খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থার আশ্বাস
এই ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ বলেন, "টেস্ট পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করায় নিয়ম অনুযায়ী আরিফকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে স্কুলে এসে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং কক্ষগুলোতে তালা লাগিয়ে দেয়।" এদিকে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রের বাবা আব্দুল আজিজ সম্পূর্ণ অজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "এ ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।" বিষয়টি নিয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন এবং খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
"আমি না পারলে কাউকেই পরীক্ষা দিতে দেব না!"
স্কুল কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আরিফ ওই প্রতিষ্ঠানের দশম শ্রেণির ছাত্র। মঙ্গলবার সকালে সে বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষকদের ওপর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের অনুমতি দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে। এ সময় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ তার কাছে অকৃতকার্য হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে আরিফ অকপটে স্বীকার করে যে সে সাত বিষয়ে ফেল করেছে। নিয়ম অনুযায়ী তাকে পরীক্ষায় বসার সুযোগ দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানালে সে শিক্ষকদের হুমকি দেয়। আরিফ বলে, তাকে সুযোগ না দেওয়া হলে এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা অন্য কোনো শিক্ষার্থীকেও সে পরীক্ষায় অংশ নিতে দেবে না। এই হুমকির পরই সে তার সঙ্গীদের নিয়ে বিদ্যালয়ের কয়েকটি কক্ষে তালা ঝুলিয়ে দেয়।
হতবাক কর্তৃপক্ষ, খোঁজ নিয়ে ব্যবস্থার আশ্বাস
এই ঘটনায় ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাসিনা মমতাজ বলেন, "টেস্ট পরীক্ষায় সাত বিষয়ে ফেল করায় নিয়ম অনুযায়ী আরিফকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়নি। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে সে স্কুলে এসে শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে এবং কক্ষগুলোতে তালা লাগিয়ে দেয়।" এদিকে, এই ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রের বাবা আব্দুল আজিজ সম্পূর্ণ অজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, "এ ঘটনার বিষয়ে আমি কিছুই জানি না।" বিষয়টি নিয়ে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, তিনি ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত নন এবং খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।