সর্বশেষ
Loading breaking news...

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: সাবেক ডিএমপি কমিশনারসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় রাজধানীতে সংঘটিত একটি হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ মোট ১১ জনের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত পুলিশ কর্মকর্তা ময়নাল হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে ইমাম হাসান তাইম হত্যার অভিযোগে এই বিচারকার্য শুরুর আদেশ দিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।

ট্রাইব্যুনালের বিচারিক আদেশ ও অভিযোগ গঠন

বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই ১১ আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হিসেবে এজলাসে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. মঞ্জুরুল বাছিদ এবং বিচারপতি নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর। এই অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে আলোচিত এই মামলাটির আইনি প্রক্রিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে প্রবেশ করল, যা ন্যায়বিচার প্রত্যাশীদের মধ্যে আশার সঞ্চার করেছে।

আদালতের এই পদক্ষেপকে জুলাই হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ায় একটি মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রসিকিউশন পক্ষ শুনানিতে আসামিদের বিরুদ্ধে প্রাথমিক তথ্য-উপাত্ত উপস্থাপন করে। ট্রাইব্যুনাল বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দ্রুত বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। ভুক্তভোগী পরিবার দীর্ঘদিন ধরে এই দিনটির অপেক্ষায় ছিল।

নেপথ্যের তথ্য: পলাতক ও গ্রেফতারকৃতদের অবস্থা

মামলার ১১ জন অভিযুক্তের মধ্যে অধিকাংশ আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। তথ্যানুসারে, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, তৎকালীন যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার Chakraborty এবং যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল হাসানসহ মোট নয়জন আসামি এখনও অধরা। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের গ্রেফতারে তৎপর রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

তবে এই মামলায় অভিযুক্ত যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি (তদন্ত) জাকির হোসেন বর্তমানে কারাগারে রয়েছেন এবং শুনানিকালে তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। ২০২৪ সালের ২০ জুলাই গণঅভ্যুত্থান চলাকালে যাত্রাবাড়ীর কাজলা এলাকায় পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেধাবী তরুণ ইমাম হাসান তাইম। এই হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়ে আসছিলেন নিহতের পরিবার ও মানবাধিকার কর্মীরা।

আরও পড়ুন