সর্বশেষ
Loading breaking news...

চীনের সঙ্গে নিরাপত্তা ঝুঁকির অজুহাতে চিপস চুক্তি আটকে দিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প চীনের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি বড় সেমিকন্ডাক্টর বা চিপস চুক্তি আটকে দিয়েছেন। শনিবার (০৩ জানুয়ারি) হোয়াইট হাউস থেকে জারি করা এক নির্বাহী আদেশে তিনি এই সিদ্ধান্ত জানান। ট্রাম্প প্রশাসন দাবি করেছে, এই চুক্তির মাধ্যমে চীনের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের স্পর্শকাতর প্রযুক্তি পাচার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে, যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এই সিদ্ধান্তের ফলে দুই পরাশক্তির মধ্যে প্রযুক্তি যুদ্ধ আরও তীব্র হলো।



প্রযুক্তি যুদ্ধের নতুন মোড়


ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তকে প্রযুক্তি বিশ্বের জন্য একটি বড় ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কোম্পানিটি এশিয়ায় তাদের চিপ উৎপাদন সম্প্রসারণের পরিকল্পনা করেছিল, যার অংশ হিসেবে চীনা বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে চুক্তিটি হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রাম্প স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন, "আমেরিকার প্রযুক্তিগত শ্রেষ্ঠত্ব রক্ষা করাই আমার অগ্রাধিকার। আমরা শত্রুর হাতে আমাদের অস্ত্র তুলে দিতে পারি না।"



বাণিজ্যিক সম্পর্কের অবনতি


এই পদক্ষেপের ফলে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার বাণিজ্যিক সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি হয়েছে। বেইজিং ইতোমধ্যে ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করেছে। চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র 'জাতীয় নিরাপত্তা'র ধুয়া তুলে অবাধ বাণিজ্যে বাধা দিচ্ছে। তারা পাল্টা ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকিও দিয়েছে। এতে করে গ্লোবাল সাপ্লাই চেইনে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।



চিপস শিল্পের ভবিষ্যৎ


বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই নিষেধাজ্ঞার ফলে চিপস শিল্পে অনিশ্চয়তা তৈরি হবে। অনেক মার্কিন কোম্পানি চীনের বাজারের ওপর নির্ভরশীল। চুক্তি বাতিল হওয়ায় তাদের আয়ে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। তবে ট্রাম্প প্রশাসন বলছে, তারা দেশীয় চিপ উৎপাদন বাড়াতে ভর্তুকি দেবে এবং বিকল্প বাজার খুঁজবে।



মার্কিন অর্থনীতির সুরক্ষা


ট্রাম্প সমর্থকদের মতে, এটি একটি সময়োপযোগী এবং সাহসী সিদ্ধান্ত। তারা মনে করেন, চীন প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নজরদারি চালাতে পারে। তাই এই খাতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ থাকা জরুরি। আগামী দিনে আরও কিছু চীনা প্রযুক্তি কোম্পানির ওপর নিষেধাজ্ঞা আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে প্রশাসন।

আরও পড়ুন