সর্বশেষ
Loading breaking news...

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র রুখতে রণকৌশলে বড় বদল: ব্রিটিশ ঘাঁটি ব্যবহারে আমেরিকার হাতে চাবিকাঠি!

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

মধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা মোকাবিলায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে নিজেদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দিয়েছে যুক্তরাজ্য। সরাসরি যুদ্ধে না জড়ালেও, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের এই অভিযানে শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে ব্রিটেন। সম্প্রতি এক জরুরি ভিডিও বার্তায় ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার তার সরকারের এই সিদ্ধান্তের কথা বিশ্ববাসীকে জানিয়েছেন।

উৎসমূলেই বিনাশ: নেপথ্যের কঠোর কৌশল

প্রধানমন্ত্রী স্টারমার তার ভাষ্যে স্পষ্ট করেছেন যে, কেবল আকাশপথে ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করে হুমকি পুরোপুরি দূর করা সম্ভব নয়। এই হুমকি চিরতরে স্তব্ধ করতে হলে আঘাত হানতে হবে সরাসরি ক্ষেপণাস্ত্রের উৎসমূলে। অর্থাৎ, ইরানের যে সমস্ত গোপন গুদামে ক্ষেপণাস্ত্র মজুত রাখা হয়েছে কিংবা যে লঞ্চারগুলো ব্যবহার করে এগুলো ছোড়া হয়, সেগুলো গুঁড়িয়ে দেওয়াই এখন মিত্রশক্তির মূল লক্ষ্য।

এই ‘সুনির্দিষ্ট এবং সীমিত প্রতিরক্ষা স্বার্থে’ ব্রিটিশ সামরিক ঘাঁটিগুলো ব্যবহারের যে বিশেষ অনুরোধ ওয়াশিংটন জানিয়েছিল, তাতে সম্মতি দিয়েছে লন্ডন। এর মাধ্যমে যুক্তরাজ্যের রণকৌশলে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া গেল, যা শত্রুর ডেরায় সরাসরি আঘাত হানার পথ সুগম করবে।

মিত্রদের নিরাপত্তা ও ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষায় কঠোর অবস্থান

লন্ডনের এই কঠোর অবস্থানের নেপথ্যে রয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধু রাষ্ট্রগুলোর ক্রমাগত অনুরোধ। স্টারমার জানান, উপসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলো তাদের আঞ্চলিক সুরক্ষায় ব্রিটেনকে আরও জোরালো ও সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমানে ব্রিটিশ যুদ্ধবিমানগুলো আকাশপথে যৌথ প্রতিরক্ষা অভিযানে অত্যন্ত সক্রিয় রয়েছে এবং ইতোমধ্যেই তারা ইরানের ছোড়া বেশ কিছু হামলা সফলভাবে রুখে দিতে সক্ষম হয়েছে।

মূলত নিরীহ মানুষের জীবন রক্ষা, ব্রিটিশ নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং নিরপরাধ রাষ্ট্রগুলোকে সংঘাতের হাত থেকে রক্ষা করতেই এই সমরকৌশল সাজানো হয়েছে বলে দাবি করেছে ডাউনিং স্ট্রিট। যুক্তরাজ্যের এই সিদ্ধান্ত মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে নতুন সমীকরণ যোগ করল।

আরও পড়ুন