সর্বশেষ
Loading breaking news...

নাসার প্রবীণ বিজ্ঞানীর দাবি: ভিনগ্রহীরা আসেনি, তবে প্রাণের অস্তিত্ব নিশ্চিত!

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

মহাকাশ গবেষণার জগতে নতুন করে আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। সুদূর মহাবিশ্বে প্রাণের অস্তিত্ব নিয়ে মানবজাতির দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই নাসার এক অভিজ্ঞ বিজ্ঞানী চাঞ্চল্যকর বক্তব্য দিয়েছেন। পাঁচ দশকের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই গবেষকের মতে, ভিনগ্রহের প্রাণীর অস্তিত্ব থাকলেও তারা এখনো পর্যন্ত পৃথিবীর বুকে পদার্পণ করেনি। তার এই মন্তব্য মহাকাশপ্রেমীদের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

অর্ধ শতাব্দীর গবেষণা ও বিশ্লেষণ

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম ডেইলি মেইলের তথ্য অনুযায়ী, ড. জেন্ট্রি লি ১৯৬৮ সাল থেকে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন। মঙ্গল গ্রহের উদ্দেশ্যে প্রেরিত বিখ্যাত ‘ভাইকিং’ মিশনের মাধ্যমেই মহাকাশ গবেষণায় তার কর্মজীবনের সূত্রপাত। এছাড়াও তিনি পৃথিবীর বাইরে বিভিন্ন দূরবর্তী গ্রহে অবতরণের জন্য অত্যাধুনিক মহাকাশযান নির্মাণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। দীর্ঘ অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে তিনি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে, ভিনগ্রহের কোনো প্রাণী এখনো পর্যন্ত পৃথিবীতে আসেনি।

অলৌকিক ঘটনার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা

ফিনিক্স শহরে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলনে ড. লি স্পষ্ট জানান, আজ পর্যন্ত এমন কোনো অকাট্য প্রমাণ মেলেনি যা নিশ্চিত করতে পারে যে কোনো এলিয়েন বা তাদের দ্বারা চালিত কোনো যান পৃথিবীতে অবতরণ করেছে। বস্তুত, যতবারই ইউএফও দেখা যাওয়া বা এলিয়েন দর্শনের দাবি উঠেছে, তার প্রতিটি ঘটনারই সম্ভবত কোনো না কোনো বৈজ্ঞানিক বা সাধারণ ব্যাখ্যা বিদ্যমান। আবেগের বশবর্তী না হয়ে তিনি বিজ্ঞানসম্মত প্রমাণের ওপর জোর দিয়েছেন।

এই বিশেষজ্ঞের মতে, যদিও পৃথিবীর কাছাকাছি এলিয়েনদের আসার প্রমাণ নেই, তবুও দূরবর্তী গ্রহগুলোর দিকে তাকালে এটি প্রায় নিশ্চিত যে মহাবিশ্বের কোথাও না কোথাও প্রাণের অস্তিত্ব রয়েছে। মহাবিশ্বের বিশালতা এবং গ্রহমন্ডলীর সংখ্যা বিবেচনায় তিনি মনে করেন, আমরা এই ব্রহ্মাণ্ডে একা নই। তবে সেই প্রাণের স্বরূপ বা অবস্থান সম্পর্কে জানতে আমাদের আরও উন্নত প্রযুক্তির অপেক্ষায় থাকতে হবে।

ড. লি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন, বর্তমান বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান সঠিক পথেই এগোচ্ছে। তিনি আশাবাদী যে, ভবিষ্যতে মানবজাতি অবশ্যই সুদূর মহাকাশে অন্য কোনো রূপে প্রাণের সন্ধান পাবে। তার এই বক্তব্যের পর এলিয়েন তত্ত্ব এবং মহাজাগতিক জীবনের অনুসন্ধান নিয়ে নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে, যা বিজ্ঞানীদের নতুন করে ভাবতে শেখাবে।

আরও পড়ুন