সুশাসন ও ব্যবস্থাপনার শ্রেষ্ঠত্বে ওয়ালটনের ঘরে এল মর্যাদাপূর্ণ জোড়া পুরস্কার
দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তিপণ্য নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি আবারও করপোরেট জগতে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিল। করপোরেট সুশাসন ও আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতার নিদর্শন হিসেবে প্রতিষ্ঠানটি অর্জন করেছে দুটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার। টানা পঞ্চমবারের মতো ‘আইসিএসবি ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড’ এবং চতুর্থবারের মতো ‘আইসিএমএবি বেস্ট করপোরেট অ্যাওয়ার্ড’ ঘরে তুলেছে এই টেক-জায়ান্ট, যা তাদের ধারাবাহিক সাফল্যের এক অনন্য স্বীকৃতি।
তারার মেলায় উদযাপন
এই গৌরবময় অর্জনকে স্মরণীয় করে রাখতে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় অবস্থিত ওয়ালটন করপোরেট অফিসে এক জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ‘সেলিব্রেটিং করপোরেট অ্যাওয়ার্ড অ্যাচিভমেন্ট’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আনন্দঘন এই মুহূর্তটি ওয়ালটন পরিবারের সদস্যদের জন্য ছিল এক বাড়তি অনুপ্রেরণা এবং আগামীর পথচলার নতুন শক্তি।
অতিথিদের উজ্জ্বল উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর ড. মো. হাবিবুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন ইনভেস্টমেন্ট করপোরেশন অব বাংলাদেশ (আইসিবি)-এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবু আহমেদ। এ সময় ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি-এর ভাইস-চেয়ারম্যান এস এম আশরাফুল আলম এবং ম্যানেজিং ডিরেক্টর এস এম মাহবুবুল আলমসহ অন্যান্য জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা এই আনন্দঘন মুহূর্তের সাক্ষী হন।
সাফল্যের নেপথ্য মন্ত্র
বক্তারা ওয়ালটনের এই অর্জনের পেছনের কারণ হিসেবে কোম্পানির সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা, আর্থিক স্বচ্ছতা এবং উদ্ভাবনী পণ্য উৎপাদনের ধারাবাহিকতাকে তুলে ধরেন। পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এই প্রতিষ্ঠানটি শুধুমাত্র আন্তর্জাতিক মানের ও পরিবেশবান্ধব পণ্যই তৈরি করে না, বরং করপোরেট সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও একটি ‘অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত’ স্থাপন করেছে। দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে তাদের এই আপসহীন মনোভাবই তাদের অন্যদের চেয়ে আলাদা করেছে।
আগামী দিনের শপথ
অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে কেক কেটে এই গৌরবময় অর্জন উদযাপন করা হয়, যা উপস্থিত সকলের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করে। কোম্পানির ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. রফিকুল ইসলামের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আয়োজনে সবার চোখেমুখে ছিল বিজয়ের হাসি। আগামীর দিনগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ওয়ালটন দেশের অর্থনীতিতে আরও বড় ভূমিকা রাখবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।