জামিনে মুক্তি পাওয়ার ২ ঘণ্টার মধ্যেই যুবককে কুপিয়ে হত্যা
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় এক রোমহর্ষক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মাথায় মাদক কারবারিদের হাতে নির্মমভাবে খুন হয়েছেন ইমন (২৭) নামের এক যুবক। সোমবার রাতে ফতুল্লার মাসদাইর মিস্ত্রীবাগ এলাকায় তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
নিহত ইমন মাসদাইর ঘোষেরবাগ এলাকার ওমর খৈয়াম ও কমলা বেগম দম্পতির বড় ছেলে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে একটি মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। বাড়িতে ফিরে পরিবারের সঙ্গে সামান্য সময় কাটানোর পরই তার জীবনে নেমে আসে এই ভয়াল পরিণতি।
খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে।
নিহত ইমন মাসদাইর ঘোষেরবাগ এলাকার ওমর খৈয়াম ও কমলা বেগম দম্পতির বড় ছেলে। সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় তিনি নারায়ণগঞ্জ কারাগার থেকে একটি মামলায় জামিনে মুক্তি পেয়েছিলেন। বাড়িতে ফিরে পরিবারের সঙ্গে সামান্য সময় কাটানোর পরই তার জীবনে নেমে আসে এই ভয়াল পরিণতি।
সহযোগিতাই কি কাল হলো?
নিহতের বাবা ওমর খৈয়াম জানান, ইমন পেশায় একজন বিদ্যুৎ মিস্ত্রি হলেও এলাকার মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে তিনি সোচ্চার ছিলেন। তিনি প্রায়ই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে মাদক কারবারিদের সম্পর্কে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতেন। কিন্তু এই সহযোগিতাই তার জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। প্রায় দেড় মাস আগে সন্ত্রাসীদের ধরিয়ে দিতে গিয়ে এক ঘটনায় ইমন নিজেই পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হন এবং সোমবার সেই মামলাতেই জামিন পেয়েছিলেন।মৃত্যুর ডাক এলো যেভাবে
পরিবারের ভাষ্যমতে, বাড়িতে ফিরে ইমন যখন রাতের খাবার খেয়ে সবার সঙ্গে কথা বলছিলেন, ঠিক তখনই রাত সাড়ে ৮টার দিকে ফেরদৌস নামের এক মাদক ব্যবসায়ী তাকে কথা বলার অজুহাতে বাইরে ডেকে নিয়ে যায়। অভিযোগ উঠেছে, এরপর ফেরদৌস তাকে অপর মাদক ব্যবসায়ী জাহিদ এবং তার সহযোগী 'চক্ষু হৃদয়' ও 'চশমা সাব্বিরের' হাতে তুলে দেয়। কিছুক্ষণের মধ্যেই খবর আসে, ইমনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে পালিয়ে গেছে ঘাতকরা।খবর পেয়ে ফতুল্লা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল মান্নান পুলিশ ফোর্সসহ ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের একাধিক দল ইতোমধ্যে অভিযান শুরু করেছে।