২০২৬ সালের প্রথম অধিবেশনে পদার্পণ করল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ
অবশেষে অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ। এটি কেবল নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনই নয়, বরং ২০২৬ সালের সংসদীয় বর্ষেরও প্রথম অধিবেশন। এই ঐতিহাসিক সূচনাকে কেন্দ্র করে সারা দেশের মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ ও উদ্দীপনা তৈরি হয়েছে।
সাংবিধানিক ক্ষমতা ও রাষ্ট্রপতির ডাক
নতুন এই সংসদের অধিবেশন শুরুর পেছনে রয়েছে আইনি ও সাংবিধানিক নিয়মকানুনের যথাযথ প্রয়োগ। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদে দেওয়া বিশেষ ক্ষমতাবলে সংসদের এই প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন। রাষ্ট্রপ্রধানের সেই আনুষ্ঠানিক আহ্বানের ধারাবাহিকতায় জনপ্রতিনিধিরা সংসদ কক্ষে সমবেত হয়েছেন।
অধিবেশনের শুরুতে সংসদীয় রীতিনীতি অনুযায়ী কার্যক্রম শুরু হয়েছে। গণতান্ত্রিক ধারা অব্যাহত রাখতে এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় জনগণের কণ্ঠস্বর প্রতিফলিত করতে এই সংসদ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনায় এই অধিবেশনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন আইন বিশেষজ্ঞরা।
আইনি বাধ্যবাধকতা ও সময়সীমা
দেশের সর্বোচ্চ আইন তথা সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক ফলের গেজেট প্রকাশের পর সময়ক্ষেপণ করার কোনো সুযোগ নেই। গেজেট প্রকাশের পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যেই রাষ্ট্রপতিকে নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করতে হয়। সেই আইনি বাধ্যবাধকতা মেনেই আজকের এই অধিবেশনের সূচনা হলো।
ত্রয়োদশ সংসদের এই যাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের আইনসভার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো। সংসদীয় কার্যক্রমের মাধ্যমে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুগুলোর নিষ্পত্তি এবং নতুন আইন প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। আজকের অধিবেশনজুড়ে সংসদীয় গণতন্ত্রের সুফল দেশবাসীর কাছে পৌঁছে দেওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে।