সর্বশেষ
Loading breaking news...

ধ্বংসস্তূপে পরিণত হচ্ছে ইরান! ৬ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে মার্কিন হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের নতুন মাত্রা

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

মধ্যপ্রাচ্যে বাজছে যুদ্ধের দামামা। অপারেশন ‘এপিক ফিউরি’-র আওতায় ইরানে স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, এই অভিযানের অংশ হিসেবে এরই মধ্যে ইরানের প্রায় ৬ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। মার্কিন বাহিনীর এই ধ্বংসযজ্ঞের শিকার হয়েছে প্রায় ৬০টি জাহাজ এবং মাইন বসানোর কাজে ব্যবহৃত অন্তত ৩০টি নৌযান।

অপারেশন 'এপিক ফিউরি'-র ভয়ংকর রূপ

সেন্টকমের প্রকাশিত নতুন পরিসংখ্যানে হামলার ভয়াবহতার চিত্র ফুটে উঠেছে। মার্কিন বাহিনীর নিশানায় ছিল ইরানের সামরিক শক্তির মূল কেন্দ্রগুলো। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কমান্ড সেন্টার, অস্ত্র তৈরির কারখানা, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটি, সাবমেরিন এবং অত্যন্ত সুরক্ষিত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এর ফলে দেশটির প্রতিরক্ষাব্যবস্থা অনেকটাই ভেঙে পড়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।

এই হামলায় সরাসরি যুক্ত হয়েছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীও। তেহরানে নতুন করে বিমান হামলার ঘোষণা দিয়েছে তারা। বিবিসি ফার্সির প্রতিবেদনে স্থানীয় বাসিন্দাদের বরাতে বলা হয়েছে, ভোর প্রায় ৫টা পর্যন্ত তেহরানের আকাশে তীব্র বিমান হামলার তাণ্ডব চলেছে, যা জনমনে তীব্র আতঙ্কের সৃষ্টি করেছে।

প্রকম্পিত তেহরান থেকে আরাক: সর্বত্রই আতঙ্ক

সকাল হতেই হামলার বিস্তৃতি ও তীব্রতা আরও বাড়ে। আরাক শহরে ভয়াবহ বিমান হামলার বহু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। একই ধরনের ধ্বংসলীলার খবর আসতে থাকে কারাজ শহর থেকেও। তেহরানের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সকালে ঘটা বিস্ফোরণগুলো এতটাই শক্তিশালী ছিল যে, মূল ঘটনাস্থল থেকে বহুদূরেও এর তীব্র কম্পন অনুভূত হয়েছে। এমনকি ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর ঘনিষ্ঠ সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজ এজেন্সিও সকালে বিশেষ করে ‘দক্ষিণ তেহরানে’ প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ও বিমান হামলার খবর নিশ্চিত করেছে।

'চরম মূল্য চোকাচ্ছে ইরান': ট্রাম্পের হুংকার

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই সংঘাত নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ইরানে যুদ্ধ খুব দ্রুতগতিতে এগোচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রের অনুকূলে এবং ‘খুব ভালোভাবে চলছে’ বলেও তিনি দাবি করেন। ইরানকে ‘সন্ত্রাস ও ঘৃণার জাতি’ হিসেবে আখ্যায়িত করে ট্রাম্প স্পষ্ট ইঙ্গিত দেন যে, দেশটি এখন তাদের কর্মকাণ্ডের জন্য ‘বড় ধরনের মাশুল দিচ্ছে’।

আরও পড়ুন