সর্বশেষ
Loading breaking news...

সর্দি-কাশির মহৌষধ কালোজিরা: জাদুকরী গুণের খোঁজ

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

ছোট ছোট কালো দানার মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে সুস্বাস্থ্যের চাবিকাঠি। শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে বাঙালির হেঁশেল থেকে শুরু করে প্রাচীন চিকিৎসাবিদ্যা—সর্বত্রই কালোজিরার জয়জয়কার। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানও বলছে, এই ক্ষুদ্র দানায় রয়েছে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর এক অসাধারণ শক্তি। বিশেষজ্ঞদের মতে, কালোজিরায় উপস্থিত ‘থাইমোকুইনন’ নামক বিশেষ উপাদানটি সর্দি-কাশি, গলা ব্যথা এবং বুকে জমে থাকা কফের যম হিসেবে কাজ করে।

সর্দি তাড়ানোর অব্যর্থ কৌশল

ঋতু পরিবর্তনের সময় সর্দি-কাশির প্রকোপ থেকে বাঁচতে কালোজিরা ভেজানো পানি এক দারুণ সমাধান। এক গ্লাস গরম পানিতে এক চা-চামচ কালোজিরা ভিজিয়ে রেখে ১৫-২০ মিনিট পর সেই কুসুম গরম পানি পান করলে গলা খুসখুস ভাব ও নাক বন্ধ হওয়া থেকে দ্রুত মুক্তি মেলে। এছাড়া, প্রতিদিন সকালে এক চা-চামচ কালোজিরার গুঁড়োর সাথে সমপরিমাণ মধু মিশিয়ে খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বেড়ে যায়, যা কাশি কমাতে অত্যন্ত কার্যকর।

এমনকি আপনার প্রতিদিনের চায়ের কাপেও যোগ করতে পারেন আধা চা-চামচ কালোজিরা; এই উষ্ণ পানীয় গলা ব্যথা উপশমের পাশাপাশি শরীরকে চনমনে ও গরম রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিনের এই অভ্যাসটি সুস্থ থাকার জন্য একটি সহজ কিন্তু কার্যকরী উপায় হতে পারে।

বন্ধ নাক খোলার জাদুকরী মন্ত্র

বুকে কফ জমে যাওয়া বা তীব্র সর্দিতে নাক বন্ধ হয়ে শ্বাসকষ্টের সমস্যায় কালোজিরার ভাপ নেওয়া একটি পরীক্ষিত পদ্ধতি। এক বাটি ফুটন্ত গরম পানিতে এক চিমটি কালোজিরা মিশিয়ে মাথায় তোয়ালে দিয়ে ঢেকে ৫-৭ মিনিট সেই ভাপ নিলে শ্বাসনালী পরিষ্কার হয়। পাশাপাশি, গরম পানিতে কয়েক ফোঁটা কালোজিরার তেল দিয়ে ভাপ নেওয়া অথবা বুকে ও গলায় হালকা হাতে এই তেল মালিশ করলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। তবে যাদের গুরুতর অ্যালার্জি বা অ্যাজমা আছে, তাদের বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আরও পড়ুন