সর্বশেষ
Loading breaking news...

মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনার মাঝেও চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ল ৮টি জ্বালানি জাহাজ

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধাবস্থা ও ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি ঘিরে জ্বালানি আমদানি নিয়ে যখন দেশজুড়ে প্রবল উদ্বেগ বাড়ছে, ঠিক তখনই এক বিশাল স্বস্তির বার্তা নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে আটটি বড় আকারের জাহাজ। তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) বোঝাই এই জ্বালানি জাহাজগুলো দেশের সম্ভাব্য জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

ঝুঁকি এড়িয়ে সুকৌশলে বন্দরে প্রবেশ

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হওয়ার আগেই জাহাজগুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ জলপথ সাফল্যের সঙ্গে পার হয়ে নিরাপদে বন্দরে চলে এসেছে। সঠিক সময়ে এই জাহাজগুলোর নির্বিঘ্ন আগমন দেশের অর্থনীতি ও জ্বালানি নিরাপত্তাকে আরও অনেক বেশি সুদৃঢ় করবে।

বন্দরে ভেড়া জাহাজগুলোর মধ্যে পাঁচটি বড় এলএনজিবাহী কার্গো কাতার থেকে এসেছে। ফ্রান্সের পতাকাবাহী ‘আল জুর’ ৬৩,৩৮৩ ইউনিট, গ্রিসের ‘আল জাসাসিয়া’ ৬৩,০৭৫ ইউনিট এবং বাহামার পতাকাবাহী ‘লুসাইল’ ৬২,৯৮৭ ইউনিট এলএনজি বহন করে এনেছে। এছাড়া লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘আল গালায়েল’ ও ‘লেব্রেথাহ’ যথাক্রমে ৫৭,৬৬৫ এবং ৬২,০০০ ইউনিট এলএনজি নিয়ে সফলভাবে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে।

ওমান থেকে এলপিজি আমদানিতে গতি

এলপিজি আমদানির ক্ষেত্রে ওমানের সোহার বন্দর থেকে পানামার পতাকাবাহী দুটি বড় জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। এর মধ্যে ‘এলপিজি সেভান’ ২২,১৭২ ইউনিট এবং ‘জি ওয়াইএমএম’ ১৯,৩১৬ ইউনিট এলপিজি নিয়ে এসেছে। এই জাহাজ দুটি বর্তমানে ইউনিক মেরিটাইমের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত হচ্ছে।

অন্যদিকে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরাহ বন্দর থেকে ৫,০১৯ ইউনিট এমইজি (MEG) নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী ‘বে ইয়াসু’ নামের আরও একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে নোঙর করেছে, যা দেশের শিল্পখাতের জন্য অপরিহার্য। যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে এই জাহাজগুলোর আগমন দেশের জন্য অত্যন্ত আশীর্বাদস্বরূপ। বন্দর কর্তৃপক্ষ জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে দিনরাত তাদের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

আরও পড়ুন