সর্বশেষ
Loading breaking news...

জলের তলা থেকে ছুটবে ক্ষেপণাস্ত্র! ইরানের নতুন হুমকিতে চিন্তিত ওয়াশিংটন

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

ইরানের পক্ষ থেকে এক নজিরবিহীন সামরিক সক্ষমতার জানান দেওয়া হয়েছে, যা ওয়াশিংটনের উদ্বেগ বাড়াতে বাধ্য। দেশটির ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) এক শীর্ষ কমান্ডার জানিয়েছেন, তাদের হাতে এমন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পানির নিচ থেকে ছোড়া সম্ভব এবং প্রয়োজনে খুব শীঘ্রই তা ব্যবহার করা হতে পারে। এই ঘোষণায় আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

ধ্বংসাত্মক ক্ষমতার বেনজির দাবি

আইআরজিসি'র সিনিয়র কমান্ডার আলি ফাদাভি ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমাদের কাছে এমন ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পানির নিচ থেকে উৎক্ষেপণ করা যায় এবং আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই আমরা সেগুলো ব্যবহার করতে পারি।” তিনি আরও যোগ করেন, এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর গতি প্রতি সেকেন্ডে ১০০ মিটার, যা যেকোনো লক্ষ্যবস্তুতে দ্রুত আঘাত হানতে সক্ষম।

আলি ফাদাভি দাবি করেছেন, এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তি বর্তমানে শুধুমাত্র ইরান ও রাশিয়ার কাছেই রয়েছে। তবে তার এই দাবির সত্যতা আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করতে পারেনি, যা বিষয়টিকে আরও রহস্যময় করে তুলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই হুমকির মূল উদ্দেশ্য মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক ছড়ানো এবং ভূ-রাজনৈতিকভাবে চাপ সৃষ্টি করা।

ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ ও পাল্টাহুমকি

ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্র দেশগুলো এই ধরনের সম্ভাব্য হামলার জবাব দেওয়ার জন্য পাল্টা ব্যবস্থা প্রস্তুত রাখছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে। পারস্য উপসাগরে নৌ চলাচলের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এই নতুন হুমকি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ইরান যদি সত্যিই এই সক্ষমতা অর্জন করে থাকে, তবে তা আন্তর্জাতিক নৌ-প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে নতুন করে ভাবাবে।

ইরানের এই সামরিক আস্ফালন এমন এক সময়ে এলো যখন মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধের দামামা বাজছে। পানির নিচ থেকে নিখুঁতভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার ক্ষমতা যেকোনো নৌবাহিনীর জন্য বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে। ওয়াশিংটন এই পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে এবং তাদের মিত্রদের সাথে কৌশলগত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে বলে জানা গেছে।

আরও পড়ুন