সর্বশেষ
Loading breaking news...

লামিন ইয়ামালের শেষ মুহূর্তের পেনাল্টিতে নিউক্যাসলের বিপক্ষে ড্র বার্সেলোনার

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

ইংল্যান্ডের নিউক্যাসল ইউনাইটেডের দুর্গ সেন্ট জেমস পার্কে এক রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। স্বাগতিকদের একের পর এক আক্রমণে কোণঠাসা হয়ে পড়লেও, শেষ মুহূর্তের ম্যাজিকে হার এড়িয়ে ১-১ ড্র নিয়ে মাঠ ছেড়েছে বার্সেলোনা। এই ড্র বার্সেলোনার জন্য কেবল এক পয়েন্ট নয়, বরং কঠিন এক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার স্বস্তি নিয়ে এসেছে।

নিউক্যাসলের আক্রমণাত্মক কৌশল

ম্যাচের শুরু থেকেই নিউক্যাসল ইউনাইটেড অত্যন্ত গতিশীল ফুটবল উপহার দেয়। তাদের ফরোয়ার্ডদের ক্ষিপ্রগতির সামনে বার্সেলোনার রক্ষণভাগকে বারবার হিমশিম খেতে হয়েছে। প্রথমার্ধজুড়ে স্বাগতিকরা বেশ কয়েকটি নিশ্চিত গোলের সুযোগ তৈরি করলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে লিড নিতে পারেনি। বার্সেলোনা বল দখলে এগিয়ে থাকলেও নিউক্যাসলের প্রতি-আক্রমণ ছিল অনেক বেশি ভয়ংকর।

হার্ভি বার্নসের গোল ও নাটকের শুরু

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধেও একই চিত্র বজায় থাকে। অবশেষে ৮৬তম মিনিটে জ্যাকব মার্ফির নিখুঁত ক্রস থেকে দুর্দান্ত এক গোল করে নিউক্যাসলকে এগিয়ে দেন হার্ভি বার্নস। স্টেডিয়ামজুড়ে তখন স্বাগতিক সমর্থকদের জয়োল্লাস। পরাজয় নিশ্চিত মনে হলেও বার্সেলোনা হাল ছাড়েনি। যোগ করা সময়ে ডি-বক্সের ভেতর দানি ওলমো ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি।

পেনাল্টি নেওয়ার গুরুদায়িত্ব পড়ে ১৭ বছর বয়সী তরুণ তুর্কি লামিন ইয়ামালের ওপর। চরম উত্তেজনার মুহূর্তেও অসামান্য ধৈর্য দেখিয়ে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে বল জালে জড়ান তিনি। নিউক্যাসল গোলরক্ষক নিক পোপ সঠিক দিকে ঝাঁপ দিলেও ইয়ামালের কিক ঠেকানোর কোনো সাধ্য ছিল না তার। এর সাথেই ম্যাচে সমতা ফেরে এবং ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতালানরা।

কোচ হান্সি ফ্লিকের প্রতিক্রিয়া

ম্যাচ শেষে বার্সেলোনার কোচ হান্সি ফ্লিক তার দলের খেলোয়াড়দের মানসিক দৃঢ়তার প্রশংসা করেন। তিনি স্বীকার করেন যে, নিউক্যাসলের মাঠে খেলা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং এবং তার দল কিছু কৌশলগত ভুল করেছে। তবে প্রতিকূল পরিস্থিতিতে গোল শোধ করে এক পয়েন্ট ছিনিয়ে আনাকে তিনি বড় প্রাপ্তি হিসেবে দেখছেন। এই ফলাফল বার্সেলোনার চ্যাম্পিয়ন্স লিগ যাত্রায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে তিনি আশাবাদী।

আরও পড়ুন