টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে নেই কোনো বাংলাদেশি আম্পায়ার
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের জন্য ম্যাচ অফিসিয়ালদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব এবং সুপার এইট পর্বে বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার শরফুদ্দৌলা ইবনে শহীদ সৈকত ও গাজী সোহেল অত্যন্ত দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করলেও, সেমিফাইনালের মতো গুরুত্বপূর্ণ মঞ্চে তাঁদের রাখা হয়নি। আইসিসির এলিট প্যানেলে যুক্ত হওয়ার পর সৈকতের এটিই ছিল প্রথম বড় কোনো আইসিসি ইভেন্ট, যেখানে তিনি নজরকাড়া পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন।
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে যারা পেলেন দায়িত্ব
আগামী বুধবার কলকাতার ইডেন গার্ডেনসে প্রথম সেমিফাইনালে মুখোমুখি হবে দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। হাইভোল্টেজ এই ম্যাচে মাঠের আম্পায়ারের ভূমিকায় থাকবেন অভিজ্ঞ রিচার্ড ইলিংওর্থ ও অ্যালেক্স ওয়ার্ফ। তৃতীয় আম্পায়ার হিসেবে টিভি মনিটরে চোখ রাখবেন নিতিন মেনন। চতুর্থ আম্পায়ারের দায়িত্ব পালন করবেন রড টাকার এবং ম্যাচ রেফারি হিসেবে পুরো কার্যক্রম তদারকি করবেন ভারতের কিংবদন্তি পেসার জাভাগাল শ্রীনাথ।
অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার মুম্বাইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে লড়বে স্বাগতিক ভারত ও বর্তমান চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড। এই ম্যাচে অনফিল্ড আম্পায়ারের ভূমিকায় দেখা যাবে ক্রিস গ্যাফনি ও আলাউদ্দিন পালেকারকে। তৃতীয় আম্পায়ার হিসেবে থাকবেন আদ্রিয়ান হোল্ডস্টক। চতুর্থ আম্পায়ার হিসেবে মাঠের বাইরে থাকবেন পল রেইফেল এবং ম্যাচ রেফারির গুরুদায়িত্ব পালন করবেন অ্যান্ডি পাইক্রফট। দুই সেমিফাইনালের আম্পায়ারিং প্যানেল সাজানো হয়েছে অভিজ্ঞদের নিয়ে।
আগামী ৮ মার্চ আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের জমজমাট ফাইনাল। তবে এই মহাগুরুত্বপূর্ণ ম্যাচের অফিসিয়ালদের তালিকা এখনো প্রকাশ করেনি আইসিসি। সেমিফাইনালের পারফরম্যান্স এবং আম্পায়ারদের অতীত রেকর্ড বিবেচনা করে ফাইনালের দায়িত্ব বণ্টন করা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ক্রিকেট বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে কে বা কারা পাচ্ছেন ফাইনাল পরিচালনার বাঁশি।
চলমান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মোট ২০টি দল অংশ নিয়েছিল। গ্রুপ পর্ব ও সুপার এইট পর্বের কঠিন লড়াই পেরিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে চারটি শক্তিশালী দল—ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড ও ভারত। বাংলাদেশি আম্পায়াররা সেমিফাইনালে সুযোগ না পেলেও, গ্রুপ পর্বে তাঁদের নির্ভুল সিদ্ধান্ত এবং পেশাদারিত্ব ক্রিকেট বোদ্ধাদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।