কাপাসিয়ায় ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’: ৪০ হাজার কোটি টাকার পোল্ট্রি বিপ্লবের আখ্যান
গাজীপুরের কাপাসিয়ার শান্ত জনপদ এখন এক বিশাল উৎসবের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। গ্রামীণ জনপদের চিরচেনা আবহে সেখানে ধারণ করা হয়েছে জনপ্রিয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’। প্রায় ১০ হাজার উৎসুক মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতিতে এক অনন্য উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে অনুষ্ঠানটির এবারের দৃশ্যধারণ। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও শাইখ সিরাজের সুনিপুণ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও সাবলীল উপস্থাপনায় চ্যানেল আইয়ের পর্দায় দর্শকরা উপভোগ করবেন এই বিশেষ আয়োজন।
শূন্য থেকে ৪০ হাজার কোটির সাম্রাজ্য: নেপথ্যের চাঞ্চল্যকর কাহিনি
এবারের আসরের চিত্রায়নের জন্য কেন কাপাসিয়াকে বেছে নেওয়া হলো, তার নেপথ্যে রয়েছে এক গভীর ও প্রেরণাদায়ক দর্শন। শাইখ সিরাজের মতে, বাংলাদেশের আমিষের চাহিদা পূরণ এবং কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির প্রসারে পোল্ট্রি শিল্প এক নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে। এক সময় হাকিম আলীর মৎস্য খামার এবং মিসেস জামানের পোল্ট্রি খামারের অভাবনীয় সাফল্যের চিত্র যখন গণমাধ্যমে উঠে আসে, তখন থেকেই উচ্চশিক্ষিত বহু তরুণ চাকরির পেছনে না ছুটে গ্রামে ফিরে স্বাবলম্বী হওয়ার অনুপ্রেরণা পায়।
সেই ছোট ছোট উদ্যোগগুলোই সময়ের বিবর্তনে আজ মহীরুহে পরিণত হয়েছে। এক সময়ের কুটির শিল্প আজ রূপান্তরিত হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকার এক বিশাল ও শক্তিশালী শিল্প খাতে। মূলত সম্ভাবনার এই অবিশ্বাস্য সফলতার গল্প এবং অর্থনীতির চাকা ঘোরানো কৃষকদের সম্মান জানাতেই এবারের ‘কৃষকের ঈদ আনন্দ’ সাজানো হয়েছে।
বিনোদন ও রোমাঞ্চকর প্রামাণ্যচিত্রের এক অনন্য সমাহার
অনুষ্ঠানটিতে গ্রামীণ ঐতিহ্যের বৈচিত্র্যময় ও আনন্দদায়ক খেলাধুলার পাশাপাশি থাকছে সমসাময়িকভাবে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর নির্মিত রোমাঞ্চকর প্রামাণ্যচিত্র। বিনোদনের মাধ্যমে কৃষকের হাসি-কান্না আর জীবনসংগ্রামের চিত্র ফুটিয়ে তোলাই এই আয়োজনের অন্যতম লক্ষ্য। দর্শকদের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে ঈদের পরদিন বিকেল সাড়ে ৪টায়, শুধুমাত্র চ্যানেল আইয়ের পর্দায়।