সর্বশেষ
Loading breaking news...

শেয়ারবাজার কারসাজি মামলা: সাকিবসহ ১৫ জনের তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ২০ মে

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

শেয়ারবাজারে কারসাজি, জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের অভিযোগে জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও সংসদ সদস্য সাকিব আল হাসানসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২০ মে তারিখ নির্ধারণ করেছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ সাব্বির ফয়েজের আদালতে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। কিন্তু দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) নির্ধারিত দিনে প্রতিবেদন দাখিল করতে ব্যর্থ হওয়ায় বিচারক নতুন এই তারিখ ধার্য করেন।

মামলার প্রেক্ষাপট ও গতিপ্রকৃতি

এই মামলাটি দেশের আর্থিক খাতে বড় ধরনের আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশেষ করে একজন তারকা ক্রিকেটার ও সাবেক জনপ্রতিনিধির নাম জড়ানোয় বিষয়টি নিয়ে জনমনে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। আদালতের এই আদেশের ফলে তদন্তকারী সংস্থাকে আরও সময় দেওয়া হলো যাতে তারা নিখুঁত ও তথ্যবহুল প্রতিবেদন জমা দিতে পারে। তদন্তের দীর্ঘসূত্রিতা নিয়ে অবশ্য বাদিপক্ষের আইনজীবীরা কিছুটা হতাশা প্রকাশ করেছেন।

মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন সমবায় অধিদপ্তরের উপ-নিবন্ধক আবুল খায়ের (হিরু), তার স্ত্রী কাজী সাদিয়া হাসান, আবুল কালাম মাদবর, কনিকা আফরোজ, মোহাম্মদ বাশার, সাজেদ মাদবর, আলেয়া বেগম, কাজি ফুয়াদ হাসান, কাজি ফরিদ হাসান, শিরিন আক্তার, জাভেদ এ মতিন, জাহেদ কামাল, হুমায়ূন কবির ও তানভীর নিজাম। অভিযোগ রয়েছে, এরা পারস্পরিক যোগসাজশে শেয়ারবাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন।

গুরুতর আইনি ধারা

দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন ২০২৪ সালের ১৭ জুন এই মামলাটি দায়ের করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর ৪ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ১২০(বি) ও ১০৯ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হলে আসামিদের দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ড ও বড় অংকের জরিমানা হতে পারে।

সাকিব আল হাসানের বিরুদ্ধে শেয়ারবাজার কারসাজির অভিযোগ নতুন নয়, তবে সরাসরি মামলার আসামি হওয়ার ঘটনা এটিই প্রথম। এর আগে বিএসইসি তাকে জরিমানা করলেও ফৌজদারি মামলায় জড়াননি তিনি। আদালতের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন তাকিয়ে আছে দেশের বিনিয়োগকারী ও সাধারণ মানুষ।

আরও পড়ুন