সর্বশেষ
Loading breaking news...

কিউবার পতন আসন্ন, চুক্তি করতে মরিয়া হাভানা: বিস্ফোরক দাবি ট্রাম্পের

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক বিস্ফোরক মন্তব্যে দাবি করেছেন, খুব শিগগিরই কিউবার পতন ঘটবে এবং দেশটির সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তি সম্পাদনের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। শুক্রবার সকালে প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করে আন্তর্জাতিক মহলে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। ট্রাম্পের এই আকস্মিক মন্তব্য লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে।

সামরিক সাফল্যের বর্ণনার মাঝেই কিউবা প্রসঙ্গ

সিএনএন-এর উপস্থাপক ডানা ব্যাশকে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প মূলত তার দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরছিলেন। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে কিউবার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি বলেন, “শিগগিরই কিউবার পতন ঘটবে। যদিও বিষয়টা অপ্রাসঙ্গিক, তবু বলে রাখছি যে কিউবারও পতন ঘটতে যাচ্ছে। তারা একটি চুক্তি করার জন্য মরিয়া হয়ে আছে।”

কিউবার সঙ্গে ভবিষ্যৎ আলোচনার রূপরেখা কী হবে, তারও একটি ইঙ্গিত দেন ট্রাম্প। তিনি বলেন, “তারা একটি চুক্তি করতে চায়। তাই আমি মার্কোকে (পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও) সেখানকার দায়িত্ব দেব। তারপর দেখব কী হয়।” তবে তিনি স্পষ্ট করে দেন যে, এই মুহূর্তে ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকায় ইরানই রয়েছে এবং ইরানের বিষয়টি সুরাহা হওয়ার পরই কিউবার দিকে পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া হবে।

হোয়াইট হাউসের পরবর্তী এজেন্ডা কি হাভানা?

সিএনএন-এর সাক্ষাৎকারের ঠিক একদিন আগেই হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের বক্তব্যে কিউবাকে নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার আভাস পাওয়া গিয়েছিল। তিনি ইঙ্গিত দেন, ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার পর্ব শেষ হলে ট্রাম্প প্রশাসনের পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে কিউবা। তার মতে, কিউবান বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকদের নিজ জন্মভূমিতে ফিরে যাওয়াটা এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা মাত্র।

বৃহস্পতিবার নিজের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওকে উদ্দেশ্য করে ট্রাম্প বলেন, “তিনি খুব ভালো কাজ করছেন। আর আপনার পরবর্তী কাজ হবে বিশেষ করে কিউবাকে নিয়ে, যেটা আমরা করতে চাই।” তিনি আরও যোগ করেন, রুবিও বর্তমানে অপেক্ষা করছেন এবং বলেছেন, “আগে এটাকে (ইরান প্রসঙ্গ) শেষ করি।” ট্রাম্পের এই মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয় যে, ওয়াশিংটনের টেবিলে কিউবা একটি গুরুত্বপূর্ণ এজেন্ডা হিসেবেই রয়েছে, যা সঠিক সময়ের অপেক্ষায় আছে।

আরও পড়ুন