সর্বশেষ
Loading breaking news...

ইরানি নারী ফুটবলারদের দল ভাঙা: আরও দুই সদস্য পেলেন অস্ট্রেলিয়ার মানবিক আশ্রয়, সংখ্যা এখন সাত!

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

অস্ট্রেলিয়া মানবিক কারণে ইরানের নারী ফুটবল দলের আরও দুই সদস্যকে আশ্রয় দিয়েছে। এর ফলে নিরাপত্তা শঙ্কায় দেশটিতে আশ্রয় নেওয়া এই দলের সদস্যের সংখ্যা বেড়ে মোট সাতজনে দাঁড়িয়েছে। এর আগে নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে পড়া দলের পাঁচজন খেলোয়াড়কে অস্ট্রেলিয়া নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছিল।

সিডনি বিমানবন্দরে স্বাধীন সিদ্ধান্তের সুযোগ

অস্ট্রেলিয়ান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী টনি বার্ক নিশ্চিত করেছেন যে, দলে থাকা একজন খেলোয়াড় এবং একজন সহায়ক কর্মকর্তা সিডনি বিমানবন্দর ত্যাগ করার আগে আশ্রয়ের আবেদন করেন এবং তারা অস্ট্রেলিয়ায় থাকার সিদ্ধান্ত নেন। মন্ত্রী জানান, বিমানবন্দর এলাকায় নিবিড় নিরাপত্তা তল্লাশির সময় অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তারা দোভাষীদের উপস্থিতি ছাড়াই খেলোয়াড়দের সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে কথা বলার সুযোগ দেন, যাতে তারা স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য ১২ মাসের মানবিক ভিসা: নতুন দিগন্তের সূচনা

বার্ক আরও জানান, খেলোয়াড়দের ওপর কোনো প্রকার চাপ সৃষ্টি করা হয়নি এবং নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য তাদের পর্যাপ্ত সময় ও স্বাধীনতা প্রদান করা হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সদ্য আশ্রয় নেওয়া এই দুই সদস্যকে ১২ মাসের জন্য অস্থায়ী মানবিক ভিসা প্রদান করা হয়েছে। অতীতে ইউক্রেন, ফিলিস্তিন এবং আফগানিস্তান থেকে আসা আশ্রয়প্রার্থীদেরও একই ধরনের ভিসা দেওয়া হয়েছিল।

জাতীয় সংগীত না গাওয়ায় 'দেশদ্রোহী' তকমা

ইরানের নারী ফুটবল দলের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের জন্ম হয় এশিয়া কাপের একটি ম্যাচে জাতীয় সংগীত এড়িয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে। এই ঘটনার পরই ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন দলটিকে ‘দেশদ্রোহী’ হিসেবে আখ্যায়িত করে। যদিও পরবর্তী ম্যাচগুলোতে খেলোয়াড়রা জাতীয় সংগীতে অংশ নিয়েছিলেন, তারপরও শঙ্কা কাটেনি।

এদিকে, খেলোয়াড়রা যখন অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশে ফিরছিলেন, তখন সেখানে অবস্থানরত ইরানি প্রবাসীদের একটি অংশ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। তাদের আশঙ্কা ছিল দেশে ফিরলে খেলোয়াড়রা বড় ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকির সম্মুখীন হবেন। যদিও ইরানের অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় বাকি সদস্যদের নিরাপদে দেশে ফেরার আহ্বান জানিয়েছে এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘায়ি বলেছেন যে, ইরান তাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

আরও পড়ুন