সর্বশেষ
Loading breaking news...

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা: ভূমধ্যসাগরে ব্রিটিশ রণতরী এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস মোতায়েনের প্রস্তুতি

খবরের ছবি
ছবি: সংরক্ষণাগার

যুক্তরাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী বিমানবাহী রণতরী 'এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস'-কে জরুরি ভিত্তিতে ভূমধ্যসাগরে মোতায়েনের জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। বিবিসি জানিয়েছে, পোর্টসমাউথ থেকে জাহাজটিকে দ্রুত যাত্রার নির্দেশ দেওয়া হতে পারে। প্রতিরক্ষা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, রণতরীর ক্রুদের মাত্র পাঁচ দিনের নোটিশে যাত্রার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে, যা সাধারণ ১৪ দিনের প্রস্তুতির সময়ের চেয়ে অনেক কম।

মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ব্রিটিশ স্বার্থ ও নাগরিকরা হুমকির মুখে পড়তে পারে—এমন আশঙ্কায় এই পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। এর আগে সাইপ্রাসে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি মোকাবিলায় ব্রিটিশ সরকারের ধীরগতি নিয়ে সমালোচনা হয়েছিল। বর্তমানে ওই অঞ্চলে রয়্যাল নেভির টাইপ ৪৫ ডেস্ট্রয়ার 'এইচএমএস ড্রাগন' মোতায়েন রয়েছে। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় আরও শক্তিশালী উপস্থিতির প্রয়োজন অনুভব করছে লন্ডন।

চলতি বছরের শেষ দিকে এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলস-এর উত্তর আটলান্টিক ও আর্কটিক মহাসাগরে 'অপারেশন ফায়ারক্রেস্ট'-এ অংশ নেওয়ার কথা ছিল। এই মিশনের লক্ষ্য ছিল উত্তর মেরু অঞ্চলে রাশিয়ার সম্ভাব্য আগ্রাসন মোকাবিলা করা। তবে মধ্যপ্রাচ্যের পরিবর্তিত পরিস্থিতির কারণে রণতরীটির গন্তব্য এখন ভূমধ্যসাগরের দিকে পরিবর্তিত হতে পারে।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অবস্থান

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, জানুয়ারি মাস থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাজ্যের সামরিক উপস্থিতি জোরদার করা হচ্ছে। ব্রিটিশ নাগরিক ও মিত্রদের সুরক্ষায় সাইপ্রাসে অতিরিক্ত ৪০০ জন কর্মী, টাইফুন ও এফ-৩৫ যুদ্ধবিমান এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে।

মুখপাত্র আরও জানান, সংঘাত শুরুর পর থেকেই ব্রিটিশ বিমানগুলো ড্রোন ধ্বংস এবং আকাশসীমা সুরক্ষায় সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। এইচএমএস প্রিন্স অব ওয়েলসের সম্ভাব্য মোতায়েন এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের সক্ষমতা বৃদ্ধি করবে।

আরও পড়ুন